মোস্তফা ওয়াদুদ: আজ শুক্রবার। বারিধারা থেকে পায়ে হাঁটা পথে এগুচ্ছি গুলশানের দিকে। গুলশান আযাদ মসজিদে প্রবেশ করলাম। ঘড়ির কাটায় তখন এগারোটা। আমি মসজিদে বসে আছি। ১২ টা ৩০ মিনিটে মসজিদে প্রবেশ করলেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান। বয়ান শুরু করলেন।
প্রথমেই কুরআনের ব্যাখ্যা কিভাবে করতে হয় তাঁর উদাহরণ টেনে বললেন, আল্লাহ তায়ালা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন অনেক রকমের ভাষা- জ্ঞান দিয়ে। যুগের পরিবর্তনে ভাষার ও পরিবর্তন হয়। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে। মানুষের আধুনিকতার সাথে সাথে তার ভাষা এবং রুচিবোধও আধুনিক হচ্ছে।
আপনাদেরকরকে একটি উদাহরণ দিলে বুঝবেন, রাসূলুল্লাহ সা. চৌদ্দশ বছর পূর্বে তৎকালীন যুগের বাদশাহদের কাছে চিঠিপত্র প্রেরণ করেছেন। সেসকল চিঠিতে তিনি বাহশাহদেরকে উযীর বলেছেন।
লিখেছেন, ইলা আযিমির রুম। মানে, ‘হে দেশের মহান ব্যক্তি’। বাদশাহ বলেননি। কারণ বাদশাহতো শুধুমাত্র নবীই। অন্য কেউ বাদশাহ হতে পারবে না। সুতরাং দেশের মহান ব্যক্তি।
আপনার কাছে মুহাম্মদের পক্ষ থেকে ইসলাম গ্রহণের আহবান জানাচ্ছি। যদি আপনি মুসলান হয়ে যান। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তাহলে আপনি নিজেও নিরাপদ থাকবেন। আপনার দেশের লোকজনও নিরাপদ থাকবে। সুতরাং ইসলামের ছায়াতলে এসে নিজেও নিরাপদ থাকুন।
অন্যান্য সবাইকেও নিরাপদ রাখুন। আর যদি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করেন তাহলে আপনার নিজেরতো গুনাহ হবেই। আপনার রাজ্যে যত মানুষ আছে তাদের ইসলাম গ্রহণ না করার গুনাহও আপনাকে ভোগ করতে হবে।
ঐ সময় যে সকল চিঠিপত্র রাসূল সা. প্রেরণ করেছেন তার মাঝে একটি শব্দ ছিলো, দিয়া’ইয়াতুন। এই শব্দের বর্তমান ডিকশনারিতে অর্থ হচ্ছে, মারামারি করা। আর তখন এ শব্দ দ্বারা ইসলামের দিকে আহবান করা বুঝাতো।
এসে গেল যাদুকরী মাদরাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
এখন কেউ যদি বলে রাসূল সা. মারামারির কথা কেনো বললেন? তার মানে রাসূল সা. জঙ্গী ছিলেন। আসলে কি তিনি জঙ্গী ছিলেন? নাকি ইসলামের প্রতি মানুষকে আহবান করেছিলেন?
সুতরাং যুগের পরিবর্তনে যেভাবে ভাষার পরিবর্তন হয়। সেভাবে যদি ভাষার পাণ্ডিত্য সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত না হà