বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ দফা দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: টাইমস্কেলসহ প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি। ২৫ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. বদরুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

এরদোয়ানঃ দ্যা চেঞ্জ মেকার

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সিরাজুল হক আলো।

সভায় মূল বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির মহাসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

সভায় শিক্ষক নেতারা প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ৯ মার্চ পরবর্তী টাইমস্কেল সম্পর্কে জোরালো বক্তব্য রাখেন। শিক্ষক নেতারা বলেন, সরকারি কর্মচারীরা ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্য টাইমস্কেল পেলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা টাইম স্কেল পাননি।

এর ফলে তারা অর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। আলোচনায় সমস্যার দ্রুত সমাধান কামনা করেন শিক্ষক নেতারা।

এ ছাড়া আলোচনায় প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সমিতির দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের দাবি জানান শিক্ষক নেতারা।

ব্যবসাকে সহজ করতে এলো বিসফটি!

প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সমিতির দেওয়া ১০ দফা দাবি নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১. প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি পুনরায় চালুকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ।

২. প্রাথমিক শিক্ষা ক্যাডার সার্ভিস চালু করা।

৩. সরকারি কর্মচারীদের সাথে ছুটি সমন্বয় করে প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নন ভকেশনাল ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করা।

৪. শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টসহ প্রাথমিক শিক্ষার নীতি নির্ধারণীতে প্রধান শিক্ষকদের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ।

৫. প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ।

৬. বিদ্যালয় পরিচালনায় ব্যয় বরাদ্দ বৃদ্ধি।

৭. চলতি দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষদের দ্রুত নিয়মিতকরণ।

৮. প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বোর্ড গঠন।

৯. প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেড প্রদানসহ সেল্ফ ড্রয়িং ক্ষমতা প্রদান।

১০. প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত করে তা সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন।

এরদোগানের জন্য জীবন দিয়ে দেব (ভিডিও)

আরএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ