আওয়ার ইসলাম: রাজধানী ঢাকার ভাটারায় বিএনপি নেতা কফিল উদ্দিন আহমেদকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
মৃত কফিল উদ্দিন ঢাকা মহানগর ৪০ নম্বর ওয়ার্ড (ভাটারা) বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। বাসায় তল্লাশি করে কফিল উদ্দিনকে না পেয়ে তার ছেলেকে পুলিশ ব্যাপক নির্যাতন করে বাবার খবর জানতে চায়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ছাদে থাকা বাবাকে দেখিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিন তলার ছাদে উঠে পুলিশ কফিল উদ্দিনকে সেখান থেকে ফেলে দেয়।
স্বজনদের থেকে জানা যায়, দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সেখানেও বাধা দেয়। পরে পুলিশ চলে গেলে কফিল উদ্দিনকে পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার গভীর রাতে দুটি মাইক্রোবাসে করে সাদা পোশাকধারী একদল পুলিশ সদস্য কফিল উদ্দিনের ভাটারার সোলমাইদ এলাকার বাসায় যায়। এর পরেই এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে ভাটারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজুর রহমান বলেন, পুলিশের একটি দল ডিউটি করার সময় চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পায়।
এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে ওই ব্যক্তি বাসার তিন তলা থেকে বেলকুনি দিয়ে নিচে নামতে গিয়ে পড়ে মারা যান। ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
ঢাকা ১ আসনের বিএনপির প্রার্থী আশফাক গ্রেপ্তার