মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
হাফ প্যান্ট পরার বিষয়ে ইসলামের নির্দেশনা কী? ‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

সেক্যুলাররা ইসলামকে কারণ না বানিয়ে মৌলভীদের ঢাল বানাচ্ছে: তাকি উসমানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি তাকি উসমানি
মুসলিম স্কলার, পাকিস্তান

একবার এক রাজনৈতিক ব্যক্তি মাদরাসা নিয়ে প্রশ্ন করে বলছিলেন, “মাদরাসা থেকে বিজ্ঞানী, ডাক্তার, ব্যারিস্টার তৈরি হয় না কেন? মাদরাসা থেকে নতুন কিছু আবিস্কার কেন হয় না?” আরো অনেক ধরনের প্রশ্ন করেছিলেন।

প্রশ্নটি যদি আমাকে করতো, তবে আমি বলতাম, “মাদরাসা হলো কুরআন ও ইসলামের দূর্গ। এখান থেকে আলেম তৈরি হবে। ইসলামের সৈনিক তৈরি হবে। কুরআন হেফাজতকারীর জন্ম হবে। যদি মাদরাসা থেকে বিজ্ঞানী কিংবা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তৈরি করা লাগে, তাহলে তোমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিণতি কী হবে? সব ছাত্র তো মাদরাসায়ই চলে আসবে।”

মাদরাসা শিক্ষার সূচনা হয়েছে কুরআন নিয়ে। কুরআন-হাদিসই হচ্ছে তাদের পড়ালেখার বিষয়বস্তু। দারুল উলুম দেওবন্দে ডালিম গাছের নিচে যার জন্ম। যে মাদরাসা হাজার হাজার আলেম তৈরি করেছে। আলোকিত মানুষ গঠন করেছে।

আজকাল অনেকেই বলে থাকে, আমি ইজতিহাদ করে চলি। আরে ভাই! ইজতিহাদ আবার কী জিনিস? উপমহাদেশের কোন ইদারা আছে যে, ইজতিহাদ করেছে। সবাই মুকাল্লিদ। উপমহাদেশের সবাই মুকাল্লিদ। এখানে ইজতিহাদের কোনো স্থান নেই। মাগরিবের যত আলেম আছেন সবাই মুকাল্লিদ।

তারা এমনভাবে ইজতিহাদ ইজতিহাদ বলা শুরু করেছে যেনো তাদের কাছে, 'কোনো হারামকে হালাল করে দাও, তাহলেই সেটা ইজতিহাদ হবে।' যেখানে ইজতিহাদ করার প্রশ্ন উঠতে পারে সেখানে ইজতিহাদের খবর নেই।

যেমন প্রশ্ন আসতে পারে, আগের যুগে তো সফরে অনেক কষ্ট হতো। মানুষ পায়ে হেঁটে সফর করতো। মানুষের কষ্টকে লাগব করার জন্য ইসলামি বিধান নামাজে কসর করার হুকুম আসে। কিন্তু বর্তমানে তো মানুষ এমন কষ্টের সফর করে না।

এখন মানুষ বিমানে উঠে। আর ১ ঘন্টা পর নেম যায়। উঠার আগেও বসা ছিলো। বিমানে উঠেও বসে রইল। বিমান থেকে নামার পরেও বসে আছে। তার তো কোনো কষ্ট হয়নি। তাহলে তার জন্যও কেন কসরের হুকুম?

এখানে কেউ ইজতিহাদ করে না। বরং যেখানে খাহেশাতে নাফসের আরাম আছে। সেখানে ইজতেহাদ করে। এসব থেকে বিরত থাকা জরুরি।

আপনারা মাদরাসা শিক্ষার আবিস্কার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। নিজেদের প্রতিষ্ঠান নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন? আপনি তো আপনার ইদারাকে ইলম