শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

দুর্নীতির দায়ে ভারতের শীর্ষ ১২ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দুর্নীতি ও যৌন হররানির দায়ে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ১২ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে ভারত সরকার।

এদের মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ খতিয়ে দেখেছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের একটি দল।

প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন আইটি যুগ্ম কমিশনার ও সাবেক এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর আশোক আগারওয়াল। আশোক আগারওয়ালের বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ ওঠে।

সাবেক উপ-পরিচালক এস কে শ্রীবাস্তভের বিরুদ্ধে দুই নারী কর্মকর্তাকে যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। কেন্দ্রীয় বোর্ড ও ট্যাক্সের সাবেক পরিচালকের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ১৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

সরকারি নথি বলছে, তিনি গত ১০ বছরে ৭৫ বার আবেদন করে তদন্ত মামলা স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়েছেন। এমনকি তার তদন্ত মামলা স্থগিত রাখার জন্য তিনি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাথেও যোগাযোগ করেন।

এদিকে রাজস্ব পরিষেবা কর্মকর্তা হোমি রাজভান্স দুর্নীতির মাধ্যমে ৩.১৭ কোটি রুপি আত্মসাৎ করেন। তাকে গ্রেফতার করে, তার পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা ও দুর্নীতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারত সরকার প্রথমবারের মতো দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিল। অভিযুক্ত বেশিরভাগ কর্মকর্তারাই সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মচারী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ