শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

সমকামিতায় বাধ্য করায় শ্রমিক নেতাকে হত্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সমকামিতায় বাধ্য, শারীরিক নির্যাতন করায় ক্ষোভে রাজশাহীর পুঠিয়ায় শ্রমিক নেতা নুরুলকে হত্যা করা হয়েছে।

হত্যার সঙ্গে জড়িত ও নুরুলের লালসার শিকার জীবন নামের এক কিশোর আদালতে এনিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ১৬ বছরের সেই সমকামী কিশোর গত সোমবার রাজশাহীর আদালতে এ জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে নুরুলের লালসার শিকার আরও তিন যুবক আদালতে তাদের নির্যাতনের ঘটনার বর্ণনা করেছেন।

গত ১১ জুন রাজশাহীর পুঠিয়া থানার কাঠালবাড়ীয়া গ্রামের এএসএস ইটভাটায় শ্রমিক নেতা নূরুল ইসলামের মরদেহ পাওয়া যায়। ওইদিনই পুঠিয়া থানায় নূরুলের মেয়ে বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেন।

রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। এরপর পুলিশ গত ১৬ জুন পুঠিয়া উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের জিয়ারুল হকের ছেলে মুহাম্মদ জীবনকে (১৬) আটক করে। পরবর্তীতে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়।

জবানবন্দীতে সে উল্লেখ করে, নূরুল ইসলামকে জীবন নানা বলে সম্বোধন করতো। নূরুল ইসলাম তাকে টাকার প্রলোভন দিয়ে প্রায় শারীরিক সম্পর্ক গড়তো। অনিচ্ছা প্রকাশ করলে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত।

১০ জুন রাত ৯টার দিকে সমকামিতার উদ্দেশ্যে দুজনেই পুঠিয়ার ওই ইটভাটায় যায়। সমকামিতার এক পর্যায়ে নূরুল হক মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় ক্ষোভে প্রথমে নুরুলের গলা টিপে ধরে জীবন। তারপর ইট দিয়ে মাথায় উপর্যপুরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। নুরুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে বাসায় চলে আসে জীবন।

পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ জানান, জীবন আদালতে আরও জানিয়েছে, এর আগেও আরও কয়েকজনের সঙ্গে নূরুল ইসলামের সমকামিতার সম্পর্ক ছিল। এমন আরও তিনজন আদালতে জবানবন্দী দিয়েছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ