মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

নামাজে যেসব স্থানে দোয়া করা যাবে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল্লাহ আফফান: নামাজ হলো দোয়া করার সর্বোত্তম স্থান। নামাজের মাধ্যমে বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্ক তৈরি হয়। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার নৈকট্য অর্জনের মাধ্যম নামাজ। তাই মানুষের জন্য পুরো নামাজটাই দোয়া। তারপরও নামাজে দোয়ার জন্য তিনটি খাস স্থান রয়েছে। যে স্থানগুলোতে আল্লাহর কাছে দোয়া করা যায়।

নামাজে দোয়া করার সেসব স্থানগুলো হলো- প্রথম স্থান: তাকবিরে তাহরিমার পর। তাকবিরে তাহরিমা (اَللهُ اَكْبَر) আল্লাহু আকবার বলার পর দোয়া করা। অনেকে এ স্থানে ছানা পড়ে থাকেন। ছানা পড়ার এ সময়টাতেই আল্লাহর কাছে দোয়া করা যায়।

অধিকাংশ মানুষ এখানে একটা দোয়া বেশি পড়ে। سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَلاَ إِلهَ غَيْرُكَ উচ্চারণ: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। (তিরমিজি, আবু দাউদ, মিশকাত)।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

এখানে আরো অনেক দোয়া আছে। যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পড়তেন। إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيفًا ۖ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ উচ্চারণ: ইন্নি ওয়াঝ্ঝাহতু ওয়াঝহিয়া লিল্লাজি ফাত্বারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানিফা; ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকিন। (সুরা আনআম : আয়াত ৭৯)

অর্থ: আমি এক মুখী হয়ে স্বীয় মুখমণ্ডল সেই সত্তার দিকে করছি, যিনি নভোমণ্ডল ও ভুমণ্ডল সৃষ্টি করেছেন এবং আমি মুশরিক নই।

إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ উচ্চারণ: ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। (সুরা আনআম : আযাত ১৬২) অর্থ: নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানি, আমর জীবন, আমার মৃত্যু বিশ্বজাহানের প্রভু আল্লাহ তাআলার জন্য।

اَللَّهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كما بَاعَدْتَ بين الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ اَللَّهُمَّ نَقِّنِي مِنَ الْخَطَايَا كما يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ من الدَّنَسِ اللهم اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বায়িদ বাইনি ওয়া বাইনা খাত্বাইয়াইয়া, কামা বাআদ্তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিবি, আল্লাহুম্মা নাক্কিনি মিনাল খাত্বাইয়াইয়া কামা ইউনাক্কাছ্ ছাওবুল