সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুক্তরাজ্যে বিকেএমের দায়িত্বশীলদের তরবিয়তি মজলিস দেশফেরত হিফজ শিক্ষককে সাবেক ছাত্রদের বিশেষ সংবর্ধনা বাংলাদেশ মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সোশ্যাল মিডিয়া: নেকির মাধ্যম নাকি গুনাহের ফাঁদ?   মাগরিবের পর দারুল উলুম দেওবন্দে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আগামী সপ্তাহে গ্যাস সংকট পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী অমিতের সাতক্ষীরার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ঢাকায় গ্রেফতার তিনবারের শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক আমিনুল হক সাদীর সাফল্যের গল্প কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিলেন জমিয়ত সভাপতি

‘জয় শ্রীরাম মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন। ধর্মীয় স্লোগান জোর করে দেওয়ানো হচ্ছে, না হলে মারধর করার ঘটনা ঘটছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। অমর্ত্যের মতে, 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘মা দুর্গা শব্দবন্ধটি বাঙালি জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যেমন ওতপ্রোত ভাবে জড়িত, জয় শ্রীরাম কিন্তু তা নয়।

জয় শ্রীরাম স্লোগান বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে যায় না। ইদানিং দেখছি রাম নবমী বেশ জনপ্রিয় হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আগে কখনও শুনিনি।’

তিনি আরো বলেন, জয় শ্রীরাম স্লোগান ব্যবহার করা হয়, মানুষকে গণপিটুনি দেওয়ার জন্য।’

অমর্ত্য সেন বলেছিলেন, ‘একজন সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে আমার মনে হয়, বেকারত্ব, আর্থিক বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে নজর ঘোরাতেই রাম মন্দির, গোরক্ষা, শবরীমালা-সহ ধর্মীয় বিষয় গুলি নিয়ে মাতামাতি করা হচ্ছে।

আর্থিক বৃদ্ধির হার যদিও বেশি, কিন্তু‌ তাতে গরিবের জীবনযাত্রার মানোন্নতি হয়নি। ঠিক এই জায়গাতেই, গোরক্ষা বা মন্দিরে নজর ঘোরানো প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ