বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ ‘ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ’ গঠন: আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৫ অক্টোবর ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গণপিটুনির জন্য কেন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে না? অমিত শাহকে ওয়াইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ♦

ভারতজুড়ে মুসলিমদের গণপিটুনির জেরে বিশ্বের বুকে ভারতের সুনাম ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করেছে। দেশের বুকে চলমান এই ন্যক্কারজনক গণপ্রহার নিয়ে ফের উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছেন সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসী।

এদিন বিহারে সারান জেলায় গরুচোর সন্দেহে একজন মুসলিম ও দুইজন দলিতকে পিটিয়ে মারার পর পার্লামেন্টে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে মব লিঞ্চিংয়ের বিরোধী কঠোর ব্যবস্থা ও আইন প্রনয়নের কথা বলেন অল ইন্ডিয়া মজলিসে ইত্তেহাদুল মুসলিমিন ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।

তিনি লোকসভায় বলেন ‘ আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, কেন গণপিটুনিতে মৃত্যুর প্রতিবন্ধকতা করা হচ্ছে না? গত বছর সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে জনসাধারণের উপর এই বিষয়ের উপর আইন প্রণয়ন করার নির্দেশ দিয়েছিল।

যদি আপনি সুপ্রিম কোর্টের এর আদেশে অন্যান্য আইন প্রনয়ণ করে থাকেন তবে মব লিঞ্চিংয়ের বিষয়টি কেন করা হয় না ?তিনি ট্যুইট করে বলেন, যারা গণপ্রহারের শিকার তাঁরাও মানুষ। কারও বাবা, সন্তান, স্বামী। বাবা-মায়েরা তার সন্তানের চিতা দেখতে পারেন?

তার কথায়, এক বছর হল সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, তাসত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর দফতর আইন প্রণয়ন করতে ভয় পাচ্ছে কেন? গণপ্রহার ঠেকাতে আগের লোকসভায় খসড়া বিলের প্রস্তাব করেছিলেন বলে জানান ব্যারিস্টার ওয়াইসী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ