শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না: নেতানিয়াহু  হিল্লা বিয়ে ইসলামের নিকৃষ্ট অপব্যাখ্যা: শায়খ আহমাদুল্লাহ শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুক ডাউন, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা  কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ঢাকাসহ দেশের ১৩ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস প্রাথমিকে ‘সংগীত-নৃত্যের সিদ্ধান্ত’ বাতিলের দাবি ছাত্র জমিয়তের

'প্রিয়া সাহার ব্যাপারে সরকারের ভূমিকা রহস্যজনক'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেছেন, সম্পীতি ও সকল ধর্মের সহাবস্থানের এক অনন্য নজীর সৃষ্টিকারী রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। এদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট হলেও এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান সকলেই যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে।

এমন একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রের শান্তি বিনষ্ট করা ও দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি খর্ব করার পায়তারায় লিপ্ত হয়েছে কিছু কুচক্রি মহল। তাদেরই দোসর হলো প্রিয়া সাহা। প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে যে মায়াকান্না করেছে এটা একদিকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে জঘন্য প্রোপাগান্ডা, সেই সাথে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমরা মনে করি। কাজেই অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। সাথে সাথে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ইসকনের সকল কার্যক্রম বন্ধেরও আহ্বান জানাচ্ছি।

আজ শুক্রবার জুমার পর বাইতুল মুকাররমের উত্তর গেটে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরীর এক বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রিয়া সাহার ব্যাপারে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নমনীয় কথাবার্তায় দেশের সাধারণ নাগরিক চরমভাবে হতাশ হয়েছে। কেননা প্রিয়া সাহা দেশকে একটি গুম-খুনের রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে। কাজেই তাকে দেশে ফেরত এনে এই ষড়যন্ত্রকারীদের হোতাদের সনাক্ত করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, গত ১১ জুলাই চট্টগ্রামে প্রায় ৩০ হাজার মুসলমান শিশুদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করে তাদেরকে ‘হরি রাম হরি কৃষ্ণ’ শ্লোগান দিতে বাধ্য করেছে। তাদের এ ঘৃণ্য কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং বাংলাদেশে ইসকনের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।

আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে মুসলমানদের উপর দিন দিন নির্যাতনের মাত্রা বেড়েই চলছে। যদি ভারতীয় মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ করা না হয় তাহলে বাংলাদেশ যেভাবে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গার প্রতিবাদের ভারত অভিমুখে লংমার্চ করেছিল তেমনি মুসলিম নির্যাতন বন্ধের প্রতিবাদের আবারো লংমার্চের ডাক দিতে বাধ্য হবে।

ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন খানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মুফতি আব্দুল মুমিনের পরিচালনায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল।

যুব মজলিস সভাপতিমন্ডলির সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত, মাওলানা এহসানুল হক, মাওলানা আমানুল্লাহ, মাওলানা রেজওয়ান হুসাইন, মাওলানা রাকীবুল ইসলাম, মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা শরীফ হুসাইন, মাওলানা জাহিদুজ্জামান, মাওলানা আসাদুল্লাহ সাদী, মাওলানা আবদুল্লাহ সাদ, মাওলানা আবদুল্লাহ আশরাফ, মুহা. জাবেদ হোসাইন প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পল্টন মোড় হয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে সুরমা টাওয়ারের সামনে এসে সমাপ্তি ঘোষণা করে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ