সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

৫ পৃষ্ঠা থেকে সর্বোচ্চ এক পারা পর্যন্ত সবক দিতো হাফেজ তালহা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুহাম্মদ আবু তালহা। ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার গোড়াইল গ্রামে তার বাড়ি। তার বাবা হাবিবুর রহমান ও মা হুসনে আরা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে সবার বড় সে। বাড়ির মায়া ত্যাগ করে পড়ালেখা করে রাজধানীতে।

বারিধারা নতুন বাজারস্থ মাদানি এভিনিউ সংলগ্ন মারকাযুল কুরআন ঢাকার হিফজ বিভাগের ছাত্র সে। মাত্র ১০৫ দিনে পবিত্র কুরআন শরিফের পুরো ৩০ পারা হিফজ শেষ করেছ তালহা এখন খবরের শিরোনাম।

এতে প্রকাশ পেয়েছে পবিত্র কুরআনের অলৌকিকতা। আল্লাহ বলছেন, তিনি বান্দার জন্য পবিত্র এ কালামকে সহজ থেকে সহজতর করেছেন। আর হাফেজ আবু তালহার প্রতিভা আবারও প্রমাণ করল সেইকথা।

বিস্ময় বালক তালহার বয়স মাত্র ৭ বছর ৬ মাস। এই বয়সের বাচ্চারা খেলাধুলা করেই মূল্যবান সময়গুলো নষ্ট করে। মহান আল্লাহ তায়ালা এভাবেই তাদের শিশুমনকে হয়তো তৈরি করেছেন।

কিন্তু হাফেজ তালহা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। আল্লাহর রহমত ও নিজের অক্লান্ত পরিশ্রম তাকে সফলতা এনে দিয়েছে। সে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ৫ পৃষ্ঠা থেকে সর্বোচ্চ এক পারা পর্যন্ত সবক দিয়েছে। গত ৩১ জুলাই সে খতম শেষ করে।

হাফেজ তালহার উস্তাদ ও মারকাযের হিফজ বিভাগের প্রধান হাফেজ আবু হুরায়রা বলেন, ছেলেটি অসম্ভব মেধাবী, এমন মেধা সবার হয় না।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ