বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

মুসলিম হওয়ায় নিউইয়র্কের বিমানবন্দরে আটকে মেয়রকে হয়রানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসবলাম: নিউজার্সির এক নগরীর মুসলিম মেয়রকে নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শুধু মুসলিম হওয়ার কারণেই তাঁকে হয়রানি করা হয়েছে বলে এরই মধ্যে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মেয়র মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ।

নিউজার্সির প্রোসপেক্ট পার্ক নগরীর মেয়র মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ তার পরিবারসহ তুরস্ক সফর শেষে আমেরিকায় ফেরার সময় হয়রানির শিকার হন। পরিবারসহ তাকে বিমানবন্দরে আটক করা হয়। সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। এ অবস্থায় মুসলিম বলে জাতিগত হয়রানি করা হয়েছে মর্মে তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযোগ করেন।

প্রোসপেক্ট পার্ক শহরের মেয়রের দায়িত্ব অনেক দিন ধরেই পালন করছেন মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ। তিনি বলেন, জেএফকে বিমানবন্দরে কাস্টমস ও বর্ডার পেট্রল এজেন্টরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে আটক করে। কয়েক ঘণ্টার জন্য তাকে আটক করে রাখে। গত ২ আগস্ট এ ঘটনা ঘটে। আটকাবস্থায় এজেন্টরা তাকে অনেক ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে। তার কাছ থেকে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, তার মায়ের নাম এবং তিনি কোথায় ভ্রমণ করেছিলেন ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়।

মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ সফরের সময় কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন কি না এবং ব্যক্তিগতভাবে তিনি কোনো সন্ত্রাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন কি না তাও তারা জানতে চায়।

মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এটা চরম অপমানজনক। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে আলাদাভাবে বিবেচনা করবার জন্য শ্রেণিভুক্ত করা চরম আপত্তির। এজেন্টরা আমার ব্যক্তিগত ফোন তল্লাশি করে, যেখানে ব্যক্তিগত ই-মেইলসহ অন্যান্য বার্তা রয়েছে। ফোনটি ফেরত চাইলে তারা তা অস্বীকার করে। বলে, এটি তাদের রাখতে হবে।’

পরে আমেরিকান-ইসলামিক সম্পর্ক বিষয়ক কাউন্সিলের আইনজীবীর হস্তক্ষেপে ঘটনার ১২ দিন পর মোহাম্মদ খায়রুল্লাহ তার ফোন ফিরে পান। মেয়র খায়রুল্লাহ বলেন, ‘আমি আমাদের আইন ও সংবিধানের সঙ্গে খুব পরিচিত। সেখানে আমার সঙ্গে যা যা করা হয়েছে, তা ছিল সংবিধানের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন।’

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ