রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে আলেমদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে’ সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯ শাহজালালে মালয়েশিয়ান যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ নেক সন্তান লাভে কোরআনে বর্ণিত বিশেষ ৬ দোয়া মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা

ভারতে ৫ বছর থাকলেই নাগরিকত্ব পেতে যাচ্ছে অমুসলিমরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিমরা মাত্র পাঁচ বছর শরণার্থী হিসেবে থাকলেই নাগরিকত্ব পাবেন ভারতের। তবে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের পাঁচ বছর পূর্ণ হতে হবে তাহলেই নাগরিকত্ব পাবেন।

গত সোমবার লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল উপস্থাপন করা হবে। ১৯৫৫ সালের মূল আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে হলে এ দেশে থাকতে হবে ১১ বছর।

কিন্তু প্রথম মোদি সরকারের আমলে আনা বিলটিতে তা কমিয়ে ছয় বছর করা হয়। এবার কমানো হলো আরও এক বছর।

নতুন বিলে নিঃশর্ত নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রমাণে কাগজপত্রের ঝামেলা যাতে না থাকে সে জন্য শুরু থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে দাবি জানায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

সংশোধিত আইনে কোনো শরণার্থী অমুসলিম হলফনামা দিলেই তাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। কিন্তু কোনো মুসলিম যদি নিজেকে হিন্দু বা পার্সি বা বৌদ্ধ হিসেবে দাবি করেন তা হলে তা আটকানোর উপায় রয়েছে কি না, তা নিয়ে নীরব বিজেপি শিবির।

তবে বিজেপির তিঙ্ক ট্যাঙ্ক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, বিলটি আগে আসুক। তা হলেই সব স্পষ্ট হবে। যে প্রশ্নগুলো উঠছে বিলটির বিস্তারিত আলোচনায় নিশ্চিয়ই উঠে আসবে।

নতুন বিলে বালা হয়েছে ইনার লাইন পারমিট ও ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত এলাকায় ওই আইন প্রযোজ্য হবে না। একই দেশে নাগরিকত্বের প্রশ্নে কেন দুই ধরনের নিয়ম আনা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূলের রাজ্য সভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন।

তার যুক্তি, আগের অধিবেশনে এক দেশ এবং সংবিধানের যুক্তি দেখিয়ে কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহার করা হলো। আর পরের অধিবেশনে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রশ্নে দ্বৈত নীতি নিচ্ছে সরকার। পুরোটাই হচ্ছে রাজনৈতিক ফায়দার স্বার্থে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ