এস.এম. তাকী (শোয়াইব মুহাম্মদ তাকী)।।
বর্তমানে আমাদের সমাজে চলছে হোম কোয়ারেনটাইন। আর সমাজ ও পরিবেশে সবচে বেশি অবহেলার বস্তু হচ্ছে সময়। যেমন-তেমন করে শেষ করে দিচ্ছি আমাদের সময়। গল্প-গুজব, আড্ডা এবং বেহুদা কাজে ব্যয় হচ্ছে আমাদের সময়। সময়কে -এমন কাজে হত্যা করা হচ্ছে, যে কাজে না আছে আখেরাতের ফায়দা, না আছে দুনিয়ার মুনাফা। দোহাই লাগে, জীবনের এ পদ্ধতি বজর্ন করুন এবং হোম কোয়ারেনটাইনের প্রতিটি মুহুর্তকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো উচিৎ। তাই আসুন এ সম্পর্কে আমাদের মাথার মুকুট আল্লামা তাকি উসমানী হাফিজাহুল্লাহ অভিমতটি জেনে নেই।
দুটি মহান নেয়ামত
হযরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহর মহান দুটি নেয়ামত আছে। অনেকে এ ব্যাপারে ধোকায় পড়ে আছে। তার মধ্য থেকে একটি নেয়ামত হলো সুস্থতা। অপর নেয়ামত হলো অবসরতা। এ দু'টি নেয়ামতের ব্যাপারে মানুষ ধোকায় পড়ে থাকে। মনে করে, এগুলো আজীবন নিকটে থাকবে।
সুস্থাবস্থায় কল্পনায় আসে না যে, সে অসুস্থ হবে। রোগ-ব্যাধি তাকে আক্রমণ করবে। কিংবা অবসর মানুষ এ কল্পনা করে না ষে, সে ব্যাস্ত হয়ে পড়বে, ঝামেলায় জড়িয়ে যাবে। বিধায় আল্লাহ যখন তাকে সুস্থ রাখেন, অবকাশ দেন, তখন অবহেলায় চলে যায় তার সময়। ধোকার মাঝে জীবন কাটিয়ে দেয়।
নেক কাজ নিয়ে টালবাহানা করে। অলসতা করে। তার ধারণা যে, এখন অনেক সময় বাকি। অতএব নেক কাজ এখন রাখি। ফলে সে পায় না কোনো আত্মশুদ্ধি। নিজেকে শুধরে নেয়ার সুযোগ হারিয়ে ফেলে সে। ভাই নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা হলো, এসব নেয়ামতের কদর করো। নিয়ামত গুলোকে কাজে লাগাও।
সুস্থতার কদর করো
সুস্থতার নেয়ামত এখন তোমার কাছে বর্তমান। জানা নেই, এগুলো তোমার কাছে থাকবে কত দিন। কখন অসুখ এসে হানা দেবে, কখন তুমি রুগ্ন হয়ে পড়বে, তার কিছুই তোমার জানা নেই। পরবর্তীতে সুযোগ হয়ে উঠবে কিনা এটাও তোমার অজানা। সুতরাং ভালো কাজ, নিজেকে সংশোধন করার কাজ, আল্লাহর প্রতি ধাবিত হওয়ার কাজ, আখেরাতের কাজ জলদি করে নাও। পাথেয় সংগ্রহ করে নাও।
অসুস্থ হবে, বিনা নোটিশে সে তà