বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ ‘ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ’ গঠন: আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৫ অক্টোবর ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সপ্তাহে হারামাইনের খতিব যে দুই শায়খ ১ অক্টোবর ২০২৬ ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি ‘বিকল্প ছাড়া উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে মানুষের রুটি-রুজি ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না’

৩৩৩ এ ফোন করে ত্রাণ চেয়েছে বলে কৃষককে পিটালেন চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুর রহমান আশরাফি
নাটোর থেকে>

ত্রাণ চাইতে সরকারি হটলাইন ৩৩৩ নম্বরে কল করায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানের বেদম মারধরের শিকার হয়েছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার দরিদ্র কৃষক শহিদুল ইসলাম (৬০)। “আর কাউকে কিছু বললে আরও খারাপ অবস্থা হবে” বলে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। আহতাবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন কৃষক শহিদুল।

ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা চেয়ারম্যানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বরমহাটি ইউনিয়নের আঙ্গারিপাড়া গ্রামে। ভুক্তভোগী শহিদুলের দাবি, আঙ্গারীপাড়া এলাকার ২০০-২৫০ জন দরিদ্র দিনমজুর গত ২০-২৫ দিন থেকে কর্মহীন। নিজেরও আপাতত কাজ নেই। এমতাবস্থায় প্রতিবেশীদের হয়ে সহায়তা চাইতে শনিবার বিকেলে তিনি ৩৩৩ নম্বরে ফোন দেন।

গত রোববার দুপুরে গ্রামের মহল্লাদার জানান, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এসেছেন আপনার সঙ্গে কথা বলতে। কথামতো ইউপি কার্যালয়ে যাওয়ার পর সেখানে ইউএনও-কে দেখতে পাননি তিনি। তার দাবি ইউপি কার্যালয়ে যাওয়ার পর কোনো কথা না শুনে মহল্লাদারের হাতে থাকা লাঠি নিয়ে তাকে বেদম মারপিট করেন বরমহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার।

এতে তার শরীরের পেছন দিকে ও পায়ে জখম হয়। মারধরের পর বের করে দেওয়ার সময় চেয়ারম্যান বলেন, “হহটলাইনে ফোন দিয়েছিস, তার জন্যই তোর এই শাস্তি। একথা কাউকে বললে তোর অবস্থা আরও খারাপ করে দেবো।”
পরে কৃষক শহিদুল বাড়িতে ফিরলে প্রতিবেশিরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান সাত্তার জানান, বিষয়টি নিয়ে সোমবার বিকেলে ইউএনও তাকে ডেকেছিলেন। সেখানেই মিমাংসা হয়েছে।

এ ব্যাপারে তবে ইউএনও উম্মুল বাণীন দ্যুতি বলেন, “৩৩৩ নম্বর থেকে জানানোর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছিলে। কৃষক শহিদুলকে মারপিট করাটা ঠিক হয়নি।”

ইউএনও আরও জানান, ঘটনার জন্য চেয়াম্যানকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ