মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর

ইসলামে শ্রমের মর্যাদা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাবীব আনওয়ার।।

মানুষ জীবন ধারণের জন্য যেসব কাজ করে, তাকে শ্রম বলে। ধনী-গরীব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব মানুষই কোনো না কোনো কাজ করে। আর কাজ করতে প্রয়োজন হয় শ্রমের। শ্রম ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমরা প্রত্যেকেই কিছু না কিছু শ্রম দিয়ে থাকি।

আল্লাহর নবী সা. নিজেও শ্রম দিয়েছেন। জুতা মেরামত করেছেন। কাপড় সেলাই করেছেন। এমনকি পাহাড়ের পাদদেশে বকরী চড়িয়েছেন। আদম আ. কৃষি কাজ করতেন। দাউদ আ. বর্ম তৈরী করতেন। হযরত মুসা আ. ও শ্রম দিয়েছেন। হযরত উতবাহ ইবনুল নুদ্দার রা. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা.-এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি সূরা তা-সীন-মীম পাঠ করলেন। শেষে মূসা আ. -এর ঘটনা পর্যন্ত পৌঁছে তিনি বলেন, মূসা আ. আট অথবা দশ বছর যাবত নিজেকে শ্রমিকরূপে নিয়োজিত রেখেছিলেন নিজের লজ্জাস্থান হেফাজতের (বিবাহ) ও পেটের আহারের বিনিময়ে। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২৪৪৪

হযরত আলী রা. মজদুরীর তালাশে ঘর থেকে বের হয়ে যেতেন আর রাত্র পর্যন্ত কোন ইহুদীর ক্ষেতে কাজ করে কিছু খাবার নিয়ে ঘরে ফিরে আসতেন।কিন্তু কখনো ভিক্ষার হাত বাড়াননি। নবী দুলহান হযরত ফাতেমা রা. পানি বইতে বইতে বুকে-পিঠে দাগ পড়ে যেত। যাঁতা ঘুরাতে ঘুরাতে হাতে ফোসকা পড়ে যেত, তবুও শ্রমবিমুখ হননি।

হযরত উমর রা. অনেক সময়ই অত্যন্ত জোর দিয়ে বলতেন, "তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি যেন মেহনত করে অর্থ উপার্জনের কাজ বন্ধ না করে দেয় এবং এই বলে বেকার বসে না থাকে, হে খোদা! তুমি আমার খাবার দাও।কারণ, তোমারা ভালো করেই জান আকাশ থেকে সোনা-চাদি ঝরে পড়ে না!" (ইসলামে শ্রমিকের অধিকার, পৃ.৫৫)

নবী করীম সা. শ্রমের মূল্যায়ন ও ভিক্ষাবৃত্তির প্রতি অনিহা প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তোমরা কেউ দড়ি নিয়ে পাহাড়ের দিকে চলে যাবে, লাকড়ি জমা করে পিঠে বোঝা বয়ে এনে তা বিক্রি করবে এবং এমনি ভাবে আল্লাহ তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেবেন, দ্বারে দ্বারে ভিক্ষার জন্য ঘুরে করুণা ও লাঞ্ছনা পাওয়ার চেয়ে অনেক ভালো। (বুখারী)

হযরত আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার রা. বর্ণনা করেন, নবী সা. বলেন, তোমাদের কেউ কেউ মানুষের কাছে ভিক্ষা চাইতে চাইতে আল্লাহ্‌র সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে তার মুখমন্ডলে গোশতের কোন টুকরা অবশিষ্ট থাকবে না। সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২২৮৬। অন্য হাদীসে ভিক্ষাকে জাহান্নামের আগুনের সাথে তুলনা করা হয়েছে!

হযরত হুবশী বিন জুনাদাহ রা. থেকে বর্ণিত আল্লাহর রসূল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি অভাব না থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে (খেলো), সে ব্যক্তি যেন জাহান্নামের অঙ্গার খেলো। সহীà