রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে আলেমদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে’ সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯ শাহজালালে মালয়েশিয়ান যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ নেক সন্তান লাভে কোরআনে বর্ণিত বিশেষ ৬ দোয়া মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা

শ্রীলঙ্কায় কবর দিতে দেওয়া হচ্ছে না মুসলিমদের মরদেহ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শ্রীলঙ্কার ফাতিমা রিনোজা, বয়স ৪৪; বাড়ি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয়। গত ৪ মে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। শ্বাসকষ্টের উপসর্গ ছিল মুসলিম এ নারীর।

ফাতিমার স্বামী মোহাম্মদ শফিক বলেন, তার স্ত্রীকে যেদিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেদিনই তাদের বাড়িতে ‘হানা’ দেয় কর্তৃপক্ষ। পুলিশ ও মিলিটারির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তারা হাজির হন তাদের দরজায়।

‘আমাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে সারাবাড়ি স্প্রে করে তারা। আমরা সবাই ভয়ে ছিলাম, আমাদের কিছু জানানো হচ্ছিল না। তিন মাসের বাচ্চাটিকেও পরীক্ষা করা হয় এবং আমাদের কুকুরের মতো টেনে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘সারারাত রেখে পরেরদিনই আমাদের ছেড়ে দেয়া হয় এবং দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়। সেসময় আমরা খবর পাই, ফাতিমা হাসপাতালে মারা গেছে।’

ফাতিমার প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে হাসপাতালে যেতে চেয়েছিলেন তার মায়ের মরদেহ শনাক্ত করতে। কিন্তু তাকে জানানো হয়, করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়ায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে না। এর বদলে জোর করে মরদেহ পোড়ানোর অনুমতিপত্রে সই নেয়া হয় ছেলেটির।

শফিক বলেন, ‘তাকে (ছেলে) বলা হয়, আরও পরীক্ষার জন্য তার (ফাতিমা) শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আলাদা করা দরকার। তার যদি করোনা থাকে তাহলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কী দরকার তাদের?’

ফাতিমার পরিবারসহ শ্রীলঙ্কার মুসলিম সম্প্রদায়ের দাবি, করোনায় মৃতদের কবর দেয়া গেলেও কর্তৃপক্ষ জোর করে মুসলিমদের মরদেহ পুড়িয়ে তাদের অধিকার নষ্ট করছে।

তাদের দাবি, শ্রীলঙ্কায় সংখ্যালঘু মুসলিম নিপীড়নের এটা নতুন উদাহরণ। অনেকেই মনে করছেন, গত বছরের এপ্রিলে কলম্বোর একাধিক চার্চ ও হোটেল ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন বেড়ে গেছে।

গত ৩১ মার্চ দেশটিতে করোনায় প্রথম মুসলিমের মৃত্যুর পর স্থানীয় বেশ কিছু মিডিয়া প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্যে সরাসরি মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপরই দোষ চাপাচ্ছে। যদিও শ্রীলঙ্কায় এ পর্যন্ত করোনায় মাত্র ১১ জন মারা গেছেন। তাদের সবার মরদেহই পোড়ানো হয়েছে।

শ্রীলঙ্কান সরকারের প্রধান মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. সুগাথ সামারাভিরা বলেন, ‘করোনাভাইরাসে আক্রান্তসহ যারা সন্দà