মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

সাহাবুদ্দিন মেডিকেলের এমডিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অনুমোদন ছাড়া করোনা পরীক্ষা ও ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগে রাজধানীর বেসরকারি সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার দিবাগত রাতে গুলশান থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, জালিয়াতির এই মামলায় বর্তমানে র‌্যাব হেফাজতে থাকা হাসপাতালটির দুই কর্মকর্তাসহ আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জনকে আসামির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, মামলার প্রধান তিন আসামি হলেন- সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আবুল হাসনাত (৫২), ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদির (৩৩) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল আল ইসলাম (৩৪)। এর মধ্যে বর্তমানে র‌্যাব হেফাজতে আছেন ডা. মো. আবুল হাসনাত ও ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদির। অপরজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে রোববার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে র‌্যাব। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযানে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে বেশ কিছু জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযানে একটি অপারেশন থিয়েটার (ওটি) থেকে পাঁচটি মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী (এনডোট্রাসিয়াল টিউব) উদ্ধার করা হয়। পরে এসব সার্জিক্যাল সামগ্রীগুলো মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করে দেখা যায়, এগুলোর সবগুলোর মেয়াদই ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া হাসপাতালটির আরো চারটি ওটি রয়েছে। যেগুলো তালাবদ্ধ ছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ অভিযানে উপস্থিত থাকা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, অপারেশনের সময় এই এনডোট্রাসিয়াল টিউবগুলো রোগীদের গলার ভেতর ঢুকিয়ে অজ্ঞান করা হয়। এই সার্জিক্যাল সামগ্রীগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় রোগীর প্রাণ হারানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ