মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবসের আয়োজনের নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ‘ইসলামী আন্দোলনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষের আস্থা ধরে রাখা’ ‘ছাত্র-জনতার রক্ত নিয়ে তামাশা করতে কাউকে সংসদে পাঠানো হয়নি’ হারাম দৃষ্টি কেড়ে নেয় হালাল সৌন্দর্য মাদরাসাবিরোধী একপাক্ষিক প্রচারণা বন্ধে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান মাদরাসা সংরক্ষণ পরিষদের  সব আলিয়া মাদরাসায় প্রতিদিন পিটি ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক নওমুসলিমদের পুনর্বাসনে খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের অনন্য উদ্যোগ প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীলতা: সামাজিক অবক্ষয়ের এক নতুন সংকট মাদরাসা শিক্ষার ভূয়সী প্রশংসা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর আওয়াবিন নামাজের ফজিলত ও নিয়ম

সাহেদের প্রতারণার মামলা তদন্তের দায়িত্বে র‌্যাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা পরীক্ষায় প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে করা মামলাটি তদন্ত করবে র‌্যাব।

মঙ্গলবার সাহেদ করিমের মামলার তদন্ত করার জন্য র‍্যাবকে দায়িত্বভার দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক আশিক বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকার উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর গত ৭ জুলাই র‌্যাব-১ এর পরিদর্শক জুলহাস মিয়া বাদী হয়ে এই মামলা করেন। শুরুতে মামলাটি থানা পুলিশের হাতে থাকলেও পরে তার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)।

গ্রেফতার রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার অপকর্মের প্রমাণ পাওয়ার কথা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন ডিবি কর্মকর্তারা। তবে রিজেন্টে অভিযান এবং সাহেদকে গ্রেফতার করার পর শুরু থেকে এই মামলার তদন্তভার চেয়ে আসছিল র‌্যাব।

সাহেদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, অস্ত্র ও জাল টাকার মোট তিনটি মামলা করা হয় উত্তরা পশ্চিম থানায়।

আশিক বিল্লাহ জানান, প্রতারণা মামলাটি আজ র‌্যাবকে দেওয়া হয়েছে বাকি দুটি মামলার তদন্তভারও আমরা চাইব।

প্রতারণার মামলাটিতে রিজেন্ট হাসপাতালে ভুয়া করোনা ভাইরাস পরীক্ষার প্রতিবেদন দেয়া, রোগীর কাছ থেকে অর্থ নেয়াসহ নানা অনিয়ম গত ৬ জুলাই র‌্যাবের অভিযানে প্রকাশ্য হয়েছিল।

র‌্যাবের মামলায় বলা হয়, এই হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ নিজেকে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি বলে দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে সে একজন ধুরন্ধর, অর্থলিপ্সু ও পাষণ্ড।

মামলায় বলা হয়, কোনো রোগী প্রতারণার কথা বুঝতে পেরে প্রতিবাদ করলে হুমকি দিতেন মোহাম্মদ সাহেদ। দণ্ডবিধি ধারায় এই মামলায় অপরাধ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সেই সঙ্গে জরিমানাও হতে পারে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ