মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচার মোকাবিলায় উত্তরায় মুহতামিম সম্মেলন কাবার দরজার কারিগর থাই নাগরিক এবার বাদশাহর অতিথি হয়ে সৌদি সফরে প্রবাসীদের অভিযোগের সমাধান হবে ই-মেইলেই

তাহাজ্জুদের সালাতে যে দশটি আয়াত তেলাওয়াত করা উত্তম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তাহাজ্জুদের সালাতে কোরআনের দশটি আয়াত তেলাওয়াত করার সওয়াব পৃথিবী এবং পৃতিবীতে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম:‘ফুযালা ইবনু ‘উবাইদ এবং তামিমুদ্দারী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী (সা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের নামাজে দশটি আয়াত তেলাওয়াত করে তার জন্য এক কিন্তার সওয়াব, আর এক কিন্তার সওয়াব হলো পৃথিবী এবং পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম, কিয়ামতের দিন তোমর রব বলবে, কোরআনের প্রতিটি আয়াতের বদলে এক স্তর উপরে উঠো, এভাবে সর্বশেষ আয়াত তেলাওয়াত করা পর্যন্ত উপরে উঠতে থাকবে, আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাকে বলবেন, আমার নিয়ামত গ্রহন করার জন্য তোমার হাত উন্মোক্ত করো, বান্দা হাত উন্মোক্ত করে বলবে, হে আমার রব! তুমি তোমার দান সম্পর্কে ভালভাবে জানো, আল্লাহ তায়ালা বলবেন, ‘এক হাতে স্থায়ী নিয়ামতসমূহ গ্রহণ করো আর অপর হাতে অন্যান্য নিয়ামতসমূহ গ্রহণ করো।’ (মু’জামুল কাবীর, হাদিস: ১২৫৩)

আল্লাহ তা’আলা তাঁর প্রিয় হাবিব সা.কে ইসলামের প্রথম যুগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেন দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার পূর্বে।

কুরআনের বিভিন্ন সুরায় এ নামাজের প্রতি তাগিদ দেয়া হয়েছে। যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যেতে পারবেন, তাদের মধ্যে একশ্রেণি তাহাজ্জুদ গুজারি।

তাহাজ্জুদ নামাজ সুন্নাতে মুআক্কাদাহ। ইসলামের সূচনার যুগে এটি মহানবী সা. ও উম্মত সবার জন্য ফরজ ছিল। রাসূল সা.-এর মে’রাজের পর তা নফল হয়ে যায়। যেমন সূরা মুজ্জাম্মিলের শুরুতে আল্লাহ তা’আলা প্রিয় নবি সা.কে বিশেষভাবে রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘হে চাদর আবৃত, রাতের নামাজে দাঁড়াও কিছু অংশ ছাড়া। (সুরা মুজাম্মিল : ১-২)

আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি। আফজালুস সালাতি বা’দাল মাফরুদাতি সালাতুল লাইলি অর্থাৎ ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ।  (মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ-হাদিস নং ১১৬৭/২)

রাসুল সা. বলেন,আল্লাহ তা’আলা প্রত্যেক রাত্রে দুনিয়ার আসমানে (যা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়) নেমে আসেন যখন রাত্রের এক তৃতীয়াংশ বাকী থাকে । অতঃপর তিনি বলেন, তোমাদের কে আমাকে ডাকবে! আমি তার ডাকে সাড়া দিব । কে আমাà