রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা ট্রাম্পের দাবি রোববার শান্তি-চুক্তি, ইরান বলছে ভিন্ন কথা আস-সুন্নাহ দাওয়াহ ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী ভারতের সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে: জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শ্রেষ্ঠ স্বামী হিসেবে তিনি আমার কাছে অমর হয়ে থাকবেন সিলেটে এক সপ্তাহ ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র আফজালের ‘লক্ষাধিক ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগই অধিকতর যুক্তিসঙ্গত’

মালিবাগ জামিয়ার মাহফিল ৩ মার্চ, আসছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ।। দেশের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ৩রা মার্চ রোজ বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ও খতমে বুখারীর দরস দিতে আসছেন হাইয়াতুল উলয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসান। এতে আরো উপস্থিত থাকবেন বেফাক মহাসচিব আল্লামা মাহফুজুল হক। এ ছাড়া দেশ বরেণ্য অনেক উলামায়ে কেরাম।

প্রতিবছর ঐতিহ্যবাহী এই দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক মাহফিল জামিয়ার ফুযালা ও ত্বলাবা ছাত্রবৃন্দের আগ্রহের কেন্দ্র বৃন্দ হয়ে থাকে। তাই বরাবরের মত এবারও বার্ষিক এ আয়োজন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

আজ আওয়ার ইসলাম থেকে জামিয়ার স্বনামধন্য মুহতামিম মুফতি আবু সাইদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন যে, ৩ মার্চ বুধবার জামিয়ায় পুরস্কার বিতরণ ও পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান হবে।প্রথম অধিবেশন হবে আসরের পরে যেখানে বক্তব্য রাখবেন বেফাক মহাসচিব আল্লামা মাহফুজুল হক। বাদ মাগরিব জামিয়ায় আসবেন মাহফিলের প্রধান আকর্ষণ হাইয়াতুল উলয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

তিনি আরো বলেন, বাদ মাগরিব আল্লামা মাহমুদুল হাসান ছাত্রদের উদ্দেশ্যে নসিহত মূলক বক্তব্য রাখবেন এবং দাওরায়ে হাদিস ও হেফজ বিভাগের বিদায়ী ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান করবেন। শুধু তাই নয় গত বছরের করোনা মহামারির কারণে যেহেতু দাওয়া ও হেফজ বিভাগের ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান করা সম্ভব হয়নি তাই তাদেরকেও এবার পাগড়ি প্রদান করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫৬ সালে রাজধানীর মালিবাগে একটি মসজিদ স্থাপনের জন্য একজন মুছল্লী গোলাম গাউস তার জমি দান করেছিলেন। পরে তারা ওই জমিতে একটি ছোট মক্তব প্রতিষ্ঠা করেন। দিনে দিনে এই মক্তব "হেফজখানা" এবং পরে 'কিতাব' বিভাগে উন্নিত হয় এবং ১৯৮২ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) কোর্স শুরু করে। প্রথম থেকেই এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বোর্ড পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করছে। বোর্ড পরীক্ষার আলোকে এই জামিয়া বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি মাদরাসা। মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালীন মুহতামিম ছিলেন কাজী মুতাসিম বিল্লাহ। তার মৃত্যুর পর আশরাফ আলী এর মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান মুহতামিম মুফতি আবু সাঈদ যিনি এই মাদরাসারই ছাত্র ছিলেন।

-ওআই/আবদুল্লাহ তামিম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ