হারুন আনসারী তালুকদার
লেখক ও সমাজ বিশ্লেষক
এই প্রশ্নটি শিক্ষিত ও সচেতন মানুষদের মাঝে উত্থাপিত হওয়া উচিত যে, এই দেশের মূলধারার মিডিয়াগুলো কেনো মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শুধু নেতিবাচক খবরই পরিবেশন করে? এই সেক্টরে কি কোন ভাল দিক নেই? কিংবা এখানে তুখোড় মেধাবীদের দেখা মিলে না যারা শিক্ষাকে প্রকৃতই জ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করে সমাজকে আলোকিত করছে?
দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় একই সাথে বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তবতা হলো, এখানে সিংহভাগ মানুষ আসলে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বা অবদান সম্মন্ধে সঠিক ধারণা রাখেন না। তারা এই শিক্ষার স্পিড সম্মন্ধেও ওয়াকিবহাল নন। উল্টো, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের সরলতাকে দুর্বলতা ভেবে তাদেরকে অজ্ঞ, আনাড়ি ও অচল ভেবে তাচ্ছিল্য করেন! মনে করেন যে, এরা শুধু দয়াদাক্ষিণ্যের পাত্র!
এটা যে এইসব সো কল্ড শিক্ষিতদের কতো বড় মুর্খতা, অভব্যতা, জ্ঞানহীনতা এটি নিয়ে ভাববার ফুরসতও এদের নেই। কারণ এরা চোখ থাকতেও অন্ধ, কান থাকতেও বধির।
স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রাপথের শুরুতে সেই ৫০ বছর আগে থেকেই এদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আজো তা চলছে পুরোদমে। ইসলামবিদ্বেষী মিডিয়া সুযোগ পেলেই মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের নিয়ে শুধু নেতিবাচক খবরই প্রচার করে। ব্যক্তিকেন্দ্রিক এই খবরগুলোকে ক্যারিক্যাচার করে রংচং মিশিয়ে পুরো মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই বিতর্কিত করতে তাদের এই ঘৃণ্য প্রয়াস। মাদ্রাসা নিয়ে কখনো ইতিবাচক খবর পরিবেশিত হয়না এসব মিডিয়ায়। অথচ।করোনাকালে যখন সন্তান তাঁর পিতার লাশ ফেলে যাচ্ছিলো, তখন এইসব মাদ্রাসা পড়ুয়ারাই স্বেচ্ছায় তাঁদের লাশ দাফনে এগিয়ে এসেছিল জীবনের মায়াকে তুচ্ছ করে।
এদেশের মূলধারার মিডিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে ইতিবাচক রিপোর্ট নজরে পড়ে না? বরং থেমে থেমে তিলকে তাল বানানো হয়েছে তাদের হাতে। মাদ্রাসাকে শিশু নির্যাতনের পাদপীঠ হিসেবে জাহির করতে অতিরঞ্জিতভাবে তারা উদ্দেশ্যমুলক একের পর এক খবর পরিবেশন করেই যাচ্ছে। তারপরেও কিন্তু সাধারণ মুসলমানদের মনে মাদ্রাসা শিক্ষা সম্মন্ধে নেতিবাচক প্রচারণাকে স্থায়ী করতে পারেনি। এই কারণটিও ভেবে দেখার মতো জ্ঞান ওদের নেই?
ওই যে শুরুতে বলেছি, মাদ্রাসা শিক্ষার স্পিড সম্মন্ধেই ওরা বেখবর। হেদায়েতের নূর কি জিনিস, রাসুলের সিলসিলা কি জিনিস, মাদ্রাসার à¦