আ.স.ম আল আমীন
মানবাধিকার বলতে বুঝানো হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার, আর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে যুগে যুগে আল্লাহ তায়লা অনেক নবী রাসুলদের কে পাঠিয়েছেন।
সর্বশেষ প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সা. কে আইয়্যামে জাহিলিয়াতের সময় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য পাঠিয়েছেন। তখনকার লোকদের কাছে মানবাধিকার বলতে কিছুই ছিলনা।তিনি ইসলামের সুমহান বিজয়ের মাধ্যমে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করে ইসলামকে বিশ্বের কাছে মানবাধিকারের মডেল হিসেবে তুলে ধরেন।
মানবাধিকার বর্তমান বিশ্বে খুবই আলোচিত একটি শব্দ। বিশ্বে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। মানুষের অবিচ্ছেদ্য অধিকারের মধ্যে রয়েছে- জীবন ধারনের অধিকার, ধর্মের অধিকার, কর্মসংস্থানের অধিকার, পরিবার গঠনের অধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, এই অধিকার লঙ্ঘিত হলে মানুষের বেঁচে থাকা অর্থহীন ও অসম্ভব হয়ে পড়বে।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘে সর্বজনীন মানবাধিকার সনদ ঘোষিত হয় এবং এ সনদ কার্যকারী করার জন্য মানবাধিকার কমিশন গঠন করা হয়। ইসলামী মানবাধিকার পৃথিবীর কোন অপশক্তি নেই যে সে সকল মানবাধিকার কখনো রহিত করতে পারে। ইসলামে মানবাধিকার ধারণা শুধু কোনো ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এর প্রত্যেকটি মুসলমানের ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ইসলাম মানুষের মর্যাদার অধিকার। সৃষ্টি কুলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানব, তাকে অন্যান্য সকল সৃষ্টির তুলনায় উত্তম কাঠামোর সৃষ্টি করা হয়েছে। এবং জগতের সমস্ত নিয়ামত ও শক্তিসমূহ মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন করে তার সেবায় নিয়োজিত করেছেন। মহান আলাহতায়ালা বলেন, তোমরা কি দেখ না যে, আল্লাহ তায়ালা আকাশ এবং জমিনের মাঝে যা কিছু আছে সবই তোমাদের কল্যাণে নিয়ন্ত্রণাধীন রেখেছেন এবং তোমাদের প্রতি তার প্রকাম্য ও অপ্রকাম্য অনুগ্রহ প্রকাশ করেছেন। (সূরা লোকমান-২০)
ইসলাম মানবজাতিকে জন্মগতভাবে সমানভাবে সমান মর্যাদায় অভিসিক্ত করেছে। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ও মানবজাতি! আমি তোমাদের এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি।
তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন গোত্র ও বংশে, যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো। আর তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অধিক মর্যাদাবান যে অধিক মুক্তাকী। (সূরা হুজরাত-১৩) ইসলামে মানুষের বাক স্বাধীনতার অধিকার- মানুষের জীবন, স্বাধীনতা এবং ব্যক