রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে আলেমদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে’ সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ৪২৩ জনের, মোটরসাইকেলেই ১৩৯ শাহজালালে মালয়েশিয়ান যাত্রীর কাছ থেকে ৪.৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ নেক সন্তান লাভে কোরআনে বর্ণিত বিশেষ ৬ দোয়া মদিনায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুথিদের ড্রোন হামলার নিন্দা জানালো বাংলাদেশ আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা

অ্যাপসভিত্তিক সুদের কারবার: চীনা নাগরিকসহ রিমান্ডে ৭

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: অ্যাপসভিত্তিক অবৈধ সুদের ব্যবসা পরিচালনাকারী ও অনলাইন প্রতারকচক্রের ৭ সদস্যের ২ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত এ আদেশ দেন। ৭ আসামির রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা। অপর ৫ আসামিরও জামিন আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৭ আসামির ২ দিনের রিমান্ড ও ৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ধানমন্ডি থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা মো. এশারত আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

রিমান্ডে যাওয়া ৭ আসামি হলো-চীনা নাগরিক হি মিংশি ও ইয়াং সিকি, মজুমদার ফজলে গোফরান, আহসান কামাল, হিমেল অর রশিদ, নাজমুস সাকিব ও জেরিন তাসনিম বিনতে ইসলাম। কারাগারে যাওয়া ৫ আসামি হলেন-ইমানুয়েল এডয়োর্ড গোমেজ, আরিফুজ্জামান, শাহিনুর আলম, শুভ গোমেজ ও আকরাম আলী। এছাড়া, ৫ সদস্যকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ইউনিটের এসআই প্রাণ কৃষ্ণ সরকার ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ১২ আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

প্রথম ৭ জনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন এবং পরের ৫ জনকে একদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি অনুমোদন ছাড়া থান্ডার লাইট টেকনোলজি লিমিটেড, নিউ ভিশন ফিনটেক লিমিটেড ও বেসিক ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করত। আইনগত অনুমোদন ছাড়া তারা গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করছে। গ্রাহকরা এসব অ্যাপস ইন্সটল করার মাধ্যমে অ্যাপে গ্রাহকের অজান্তে ক্যালেন্ডারের ইভেন্ট পড়া, গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া দূর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবি ও ভিডিও ধারণ, মোবাইলের কন্টাক্ট পড়াসহ মোবাইলের এক্স্যাক্ট লাইভ লোকেশন নির্ণয়, ফোনের স্ট্যাটাস এবং তথ্য সংগ্রহ, ফোনে সংরক্ষিত মেসেজ পড়া, পরিবর্তন করার অনুমতি নিয়ে নেয়। এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের পারসোনাল ডাটা সিকিউরিটির চরম হুমকিতে পড়ে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ