শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

কক্সবাজারে নারী ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও ৫

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কক্সবাজারে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি মেহেদী হাসান বাবুসহ আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ধর্ষণ মামলায় পাঁচজনকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এ বিষয়ে দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করবে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ। তবে ধর্ষণকাণ্ডের মূল হোতা আশিককে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সপরিবারে কক্সবাজারে বেড়াতে গিয়ে ওই নারী বুধবার রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। ধর্ষণের ঘটনায় ওই নারীর স্বামী বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার মামলা করেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, কক্সবাজার শহরের লাবনী পয়েন্ট থেকে তুলে নিয়ে স্বামী ও সন্তানকে জিম্মি করে হত্যার ভয় দেখিয়ে গত বুধবার ওই নারীকে দুই দফায় ধর্ষণ করে তিন যুবক।

মামলার এজাহারে চারজনের নাম উল্লেখ এবং তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আশিকুল ইসলাম আশিক। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আশিকের দুই সহযোগী ইস্রাফিল হুদা ওরফে জয়া ও মেহেদী হাসান বাবু এবং হোটেল জিয়া গেস্ট ইনের ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটন।

ছোটনকে ঘটনার রাতে আটক করে র‌্যাব।

এ ঘটনার মূল অভিযুক্ত আশিকুল ইসলাম আশিক কক্সবাজার শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও 'গ্যাং লিডার' হিসেবে পরিচিত। পুলিশের খাতায় তার বিরুদ্ধে ইয়াবা, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের অভিযোগে ১৬টি মামলা রয়েছে।

ওই নারীকে ঘটনার পরদিন দুপুরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি স্বামী-সন্তানসহ পুলিশের নিরাপত্তায় রয়েছেন।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ