মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


মহাবিপদে আল্লাহর রহমত পাওয়ার উপায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ রিদওয়ান একের পর এক বিপদ-মসিবত দ্বারা আমরা পরীক্ষার সম্মুখীন হচ্ছি। চারদিকে সব মানুষ হতাশা ও পেরেশানিতে নিমজ্জিত, সবার মনে প্রশ্ন?

কবে এই বিপদ-মসিবত থেকে আমরা মুক্তি পাবো? আমরা যারা মুমিন মুসলমান, আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ তায়ালার একান্ত রহমত ও দয়া ছাড়া মুক্তির কোনো উপায় নেই। তাই আমরা জানতে চাই কোন আমল করলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যাবে।

‘আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, সম্পদ ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয় তখন তারা বলে নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো। তারা সেসব লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকই হেদায়েত প্রাপ্ত, (সূরা বাকারা : ১৫৫-১৫৭)।

উল্লিখিত প্রথম আয়াতটিতে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বিভিন্ন রকমের বিপদ ও সঙ্কট দিয়ে পরীক্ষা করবেন বলেছেন এবং এই বিপদের সময় যারা ধৈর্য ধারণ করবে তাদের তিনি সুসংবাদ দান করেছেন। তাহলে বোঝা গেল এই মহা সঙ্কটে আমাদের প্রথম উপায় : সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করা।

সবর বা ধৈর্যের তাৎপর্য : সবর শব্দের অর্থ হচ্ছে সংযম অবলম্বন ও নফসের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করা। কুরআন ও হাদিসের পরিভাষায় সবরের তিনটি শাখা রয়েছে। ১. নফসকে হারাম ও নাজায়েজ বিষয়াদি থেকে বিরত রাখা। ২. নফসকে ইবাদত ও আনুগত্যে বাধ্য করা ৩. যেকোনো বিপদ ও সঙ্কটে ধৈর্য ধারণ করা। অর্থাৎ যেসব বিপদ-আপদ এসে উপস্থিত হয় সেগুলোকে আল্লাহর বিধান বলে মেনে নেয়া এবং এর বিনিময়ে আল্লাহর তরফ থেকে প্রতিদান প্রাপ্তির আশা রাখা।

দ্বিতীয় করণীয় : ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন (অর্থ- নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তারই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো) এই দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করা।

সাধারণত আমরা এই দোয়াটি যখন কোনো মৃত্যু সংবাদ শুনি তখন পড়ি, কিন্তু আসলে এই দোয়াটি যেকোনো দুঃসংবাদে বিপদে-মসিবতে পড়া যায় এবং পড়তে হয় এটাই কুরআনের শিক্ষা। এরপর উল্লিখিত তৃতীয় আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, যারা বিপদ-আপদে অভাব-অনটনে ও যেকোনো সঙ্কটে ধৈর্য ধারণ করবে এবং উপরে উল্লিখিত দোয়াটি বেশি বেশি পড়বে তারাই আল্লাহর অফুরন্ত রহমতে হেদায়াতপ্রাপ্ত হবে। অতএব এই মহাবিপদে আমাদের আল্লাহর রহমত ও দয়া পাওয়ার জন্য ধৈর্য ধারণ ও দোয়া পড়তে হবে (তাফসিরের মা’রেফুল কুরআন)।

তৃতীয় উপায় : আর যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তাতে কান লাগিয়ে রাà