শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময়

বউয়ের ওপর শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সেবা করা করা কি জরুরি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানতে চেয়েছেন, আমি আমার স্বামীর সাথে ঢাকা থাকি। আর আমার শ্বশুর-শ্বাশুরি অন্য জেলায়। আমার বছরে দুইবার যাই। ওনারা আসেন না। ওনারা প্রায়ই বলেন, আমি যেন ওখানে কিছুদিন থাকি আমার স্বামী ছাড়া। কিন্তু আমি চাই না ওনাকে রেখে থাকতে। আমার নিজের মা কাছাকাছি থাকেন। ওনারা বলেন আমার মা আমার স্বামীর দেখভাল করবেন। কিন্তু আমি তাতে সন্তুষ্ট না।

আমার স্বামীও বলেন কিছুদিন ওখানে থাকতে। আমি রাজি না। এমনিতে আমি প্রতিদিন ওনাদের খোঁজ নেই। কিন্তু আমার এত দূরে গিয়ে থাকতে ভালো লাগে না।

আমি জানতে চাই আমি কি আমার স্বামী ছেড়ে ওখানে গিয়ে থাকতে বাধ্য? আমার কার প্রতি দায়িত্ব বেশি? আমার স্বামী না শ্বাশুরি?

উত্তর: বিয়ের পর অবশ্যই আপনার স্বামীর সেবা ও খিদমাতের প্রতিই আপনার দায়িত্ব হলো প্রধান। শ্বশুর বা শ্বাশুরীর নয়। কিন্তু শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সাথে সুন্দর আখলাক ও উত্তম আচরণ করাই শরীয়তের চাহিদা।

তবে আপনি স্বামীকে ছেড়ে শ্বাশুরীর সাথে থাকতে বাধ্য নন। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনে থাকা উচিত। এতে করে সংসারে আত্মীয়তার মাঝে সম্প্রীতি ও মোহাব্বত বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্যতা বজায় থাকে। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

ليس للرجل أن يستخدم امرأته الحرة (المطيح البرهانى-4/237، رقم-4151، الفتاوى التاترخانية-4/309، رقم-6271)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ