সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

বউয়ের ওপর শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সেবা করা করা কি জরুরি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানতে চেয়েছেন, আমি আমার স্বামীর সাথে ঢাকা থাকি। আর আমার শ্বশুর-শ্বাশুরি অন্য জেলায়। আমার বছরে দুইবার যাই। ওনারা আসেন না। ওনারা প্রায়ই বলেন, আমি যেন ওখানে কিছুদিন থাকি আমার স্বামী ছাড়া। কিন্তু আমি চাই না ওনাকে রেখে থাকতে। আমার নিজের মা কাছাকাছি থাকেন। ওনারা বলেন আমার মা আমার স্বামীর দেখভাল করবেন। কিন্তু আমি তাতে সন্তুষ্ট না।

আমার স্বামীও বলেন কিছুদিন ওখানে থাকতে। আমি রাজি না। এমনিতে আমি প্রতিদিন ওনাদের খোঁজ নেই। কিন্তু আমার এত দূরে গিয়ে থাকতে ভালো লাগে না।

আমি জানতে চাই আমি কি আমার স্বামী ছেড়ে ওখানে গিয়ে থাকতে বাধ্য? আমার কার প্রতি দায়িত্ব বেশি? আমার স্বামী না শ্বাশুরি?

উত্তর: বিয়ের পর অবশ্যই আপনার স্বামীর সেবা ও খিদমাতের প্রতিই আপনার দায়িত্ব হলো প্রধান। শ্বশুর বা শ্বাশুরীর নয়। কিন্তু শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সাথে সুন্দর আখলাক ও উত্তম আচরণ করাই শরীয়তের চাহিদা।

তবে আপনি স্বামীকে ছেড়ে শ্বাশুরীর সাথে থাকতে বাধ্য নন। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনে থাকা উচিত। এতে করে সংসারে আত্মীয়তার মাঝে সম্প্রীতি ও মোহাব্বত বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্যতা বজায় থাকে। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

ليس للرجل أن يستخدم امرأته الحرة (المطيح البرهانى-4/237، رقم-4151، الفتاوى التاترخانية-4/309، رقم-6271)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ