শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি

জুমাবার হজ হলে সত্তর হজের সওয়াব পাওয়া যায়?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইয়াওমে আরাফা অর্থাৎ হজ্ব যদি জুমার দিন হয় তাহলে উক্ত হজ্ব সত্তর বা বাহাত্তর হজ্বের চেয়েও বেশি ফযীলত রাখে।

কোনো কোনো মানুষকে এটি হাদীস হিসেবে বলতে শোনা যায়। কিন্তু এটি হাদীস নয়। কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে তা পাওয়া যায় না। ইবনুল কায়্যিম রাহ. বলেন, এটি একটি বাতিল কথা, এর কোনো ভিত্তি নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবা-তাবিঈন কারো থেকেই এ ধরনের কথা প্রমাণিত নেই। -যাদুল মা‘আদ ১/৬৫।

আরো দ্রষ্টব্য: আদ্দুররুল মুখতার, ২/৬২১; ফয়যুল কাদীর ২/২৮, বর্ণনা ১২৪২

তেমনিভাবে জুমাবার হজ্ব হলে কোনো কোনো মানুষ এটিকে ‘আকবরি হজ্ব’ও বলে থাকে- এটিও একটি ভিত্তিহীন কথা, যে বিষয়ে আলকাউসারের এ বিভাগেই ইতিপূর্বে (রবিউল আউয়াল ১৪২৮হি./এপ্রিল ২০০৭ঈ.) লেখা হয়েছে।

তবে এটা ঠিক যে, জুমার দিনে হজ্ব হলে সেখানে একদিকে আরাফার দিনের ফযীলত ও অন্যদিকে জুমার দিনের ফযীলত একত্র হয় এবং এজন্য এর একটি বিশেষ গুরুত্বও রয়েছে, তবে এর সঙ্গে উপরোক্ত বর্ণনা ও বক্তব্যের কোনো সম্পর্ক নেই, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ। মাসিক আলকাউসার

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ