রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সেবায় ঘাটতি, ২১ ওমরাহ কোম্পানির কার্যক্রম স্থগিত করল সৌদি ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২ রাশিয়ায় ধরপাকড়ের মুখে আলেমরা, বাড়ছে ইসলাম বিদ্বেষ মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারী আহত ভারতের সীমান্ত হত্যা ও পুশইন নীতি গভীর উদ্বেগজনক’ নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি, ৫ পুলিশসহ আহত ৮ শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গুম-নির্যাতন মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ আজ প্রাথমিকে সংগীত-নৃত্যকলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ বাতিল চায় জমিয়ত নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ভাইয়ের মৃত্যু, আহত ১ আমাকে হারাতে শত শত কোটি ব্যয় করা হয়েছে: শায়খে চরমোনাই

২৪ কোটি টাকা ফাঁকি দিয়ে ‘রোলস রয়েস’ ঢাকায়!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শুল্কমুক্ত সুবিধায় ২৭ কোটি টাকা দামের বিলাসবহুল ‘রোলস রয়েস’ গাড়ি এনে ২৪ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করেছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের একটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান।

যুক্তরাজ্য থেকে মিথ্যা ঘোষণায় আনা গাড়িটি শুল্কায়নের আগেই অবৈধভাবে খালাস করে আমদানিকারক। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার বারিধারায় একটি বাসার গ্যারেজ থেকে সেটি জব্দ করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

জানা গেছে, আমদানি নথিতে ৬ হাজার ৭৫০ সিসির গাড়িটির দাম দেখানো হয়েছে ২ লাখ ডলার। রোলস-রয়েসের ওয়েব সাইটে গাড়িটির দাম ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৮৫০ ডলার। গাড়িটি যুক্তরাজ্যের ভারটেক্স অটোলিমিটেড থেকে আমদানি করে দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানাধীন ‘জেড অ্যান্ড জেড ইন্টিমেটস লিমিটেড’।

গত ২৭ এপ্রিল গাড়ি খালাসের জন্য বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। কিন্তু ৪ জুলাই পর্যন্ত গাড়িটির কোনো শুল্ক পরিশোধ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। গত ১৭ মে রাতে গাড়িটি চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়িটি আনা হয়েছে জানিয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের যুগ্ম পরিচালক মো. শামসুল আরেফিন খান জানান, সিপিসি ১৭০ অনুযায়ী ২০০০ সিসি পর্যন্ত কার আমদানি শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়।

কিন্তু রোলস রয়েস গাড়িটি ৬ হাজার ৭৫০ সিসির; ফলে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে। শুল্ক ফাঁকি দিতে মিথ্যা ঘোষণায় গাড়িটি আনা হয়েছে। কাস্টমস আইন অনুযায়ী চোরাচালান অপরাধ সংগঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার মো. ফখরুল আলম বলেন, ইপিজেডের পণ্য বন্দর থেকে ইপিজেডে নেওয়ার পর সেখানে শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। শুল্কায়ন ছাড়া সেখান থেকে কীভাবে ঢাকায় মালিকপক্ষের হাতে পৌঁছালো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ