নিজস্ব প্রতিবেদক: জামিয়া ইসলামিয়া গহরপুর সিলেটের আননূর ছাত্রকাফেলার উদ্যোগে আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে আননূর সাহিত্য কর্মশালা। পরিশুদ্ধ মনন গঠনের স্বপ্ন নিয়ে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আননূর। প্রতিষ্ঠার পর থেকে শিক্ষা কার্যক্রমের ফাঁকে ফাঁকে নিয়মিত সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় আজ ছিল ১০০তম আসর।
জামিয়ার প্রিন্সিপাল ও আননূর সভাপতি হাফিজ মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন গহরপুরীর সভাপতিত্বে ও জামিয়ার শিক্ষক মুহাম্মাদ রাইহানের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন— বরেণ্য লেখক ও মুহাদ্দিস, মাওলানা মুহাম্মাদ যাইনুল আবিদীন।
পাঠের গুরুত্ব, শীলিত শব্দ চয়ন, মার্জিত আচরণ, গভীর জ্ঞান অর্জন, আদর্শ ব্যক্তিত্ব গঠন, উস্তাদের নেগরানীতে থেকে সাহিত্য চর্চা ও সার্বিক জীবন যাপন ইত্যাদি বিষয় তাঁর আলোচনায় ফুটে ওটে। তিনি বলেন; ছাত্র ভাইদের এতটাই পড়া উচিৎ যে, আপনার পরিচয়ে আপনার নামটাই যেনো যথেষ্ঠ হয়ে যায়।
“লেখালেখি কিভাবে শুরু করব” বিষয়ে আলোচনা করেন ঢাকা মেইলের যুগ্ম বার্ত সম্পাদক মাওলানা জহির উদ্দিন বাবর। তিনি বলেন, আননূরের মতো ছাত্র সংগঠন পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। আমি এখনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক সাহিত্য আসর করে ১০০তম আসরে পৌঁছাতে দেখিনি। আননূর তা সম্ভব করেছে। “লেখালেখি কিভাবে শুরু করব” বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমেই আপনাদের লেখা ছাপা হয়ে যেতে হবে— এ মনোভাব দূর করতে হবে। আপিনে জাতির জন্য পরে লিখবেন। আগে নিজের জন্য লিখুন। লেখার হাতেখড়ি সম্পর্কে বলেন, দুর্বোধ্য শব্দ দিয়ে লিখতে যাবেন না। প্রথমে একেবারে সাধারণ শব্দ দিয়ে মনের ভাবকে ফুটিয়ে তুলতে হবে।
লেখার ক্ষেত্রে বানান অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিক। বানান বিভ্রাটের কারণে অনেক লেখকের লেখা কাক্সিক্ষত মূল্যায়ন পায় না। এ বিষয়ে চমৎকার আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ ইসলামি লেখক ফোরামের সম্মানিত সভাপতি মাওলানা মুনীরুল ইসলাম। তিনি অনেক উদাহরণ ও চাক্ষুষ বর্ণনার মাধ্যমে বানানের বিভিন্ন পার্থক্য ও নিয়ম সম্পর্কে ধারণা দেন।
মুসলিম উম্মাহকে “উম্মাতু ইক্বরা” বলা হয়। ইক্বরা ওয়াহীর প্রথম আদেশ। পড়া ছাড়া জাতির উন্নতি সাধন একরকম অসম্ভব। কর্মশালায় অংশ নেয়া ছাত্রদের উদ্দেশে “কী পড়ব, কীভাবে পড়ব” বিষয়ে কথা রাখেন আওয়ার ইসলাম ডটকমের সম্পাদক মাওলানা হুমায়à§