শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
আসামে ভয়াবহ বন্যা, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবার পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল কুবিতে শায়খে চরমোনাই, জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া লন্ডনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের শিক্ষা সফর জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি

টেকসই উন্নয়নের পাশ্চাত্য ও ইসলামি দৃষ্টিকোণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাছিব আহমদ

উন্নয়নের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি ।। অনুযায়ী পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধি। মানুষ যে সম্পদ ভোগ করে, ইসলামের দৃষ্টিতে তার প্রকৃত মালিক হলেন আল্লাহ,তিনি মানুষকে অন্য সব সৃষ্টির চেয়ে বেশি মর্যাদাবান ও সম্মানিত করেছেন এবং পৃথিবীর সব কিছু মানুষের আওতাধীন করেছেন যাতে মানুষ তার প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করতে পারে।

পশ্চিমাদের দৃষ্টিতে টেকসই উন্নয়ন বলতে কেবল ভোগ ও মুনাফা অর্জনকেই বুঝায়,পাশ্চাত্য রেনেসার পর ভোগবাদী ও মুনাফাকামী নীতি গ্রহণ করে এবং মানুষকে চরম ভোগবাদী হতে উৎসাহ দেয়।

এ বিষয়টি অর্থনৈতিক তৎপরতায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। পাশ্চাত্য উন্নয়ন সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গিতে মানুষের বৈষয়িক চাহিদাগুলো মেটানোর ক্ষেএে চরমপন্থা গৃহীত হওয়ায় ভোগবাদ লাগামহীন ভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক কৃত্রিম বা অপ্রয়োজনীয় চাহিদা সৃষ্টি করা হচ্ছে। আর এই চরমপন্হা বা বাড়াবাড়ি বিভিন্ন ধরনের আধ্যাত্বিক ও নৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে।

পাশ্চাত্য টেকসই উন্নয়ন মডেলে যান্ত্রিকতাবাদ বা মেশিনিজমের মোকাবেলায় মানুষের মর্যাদা ও ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এটাই টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কিত ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গির সাথে পশ্চিমা উন্নয়ন মডেলের প্রধান বা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।

ইসলামে টেকসই উন্নয়ন ব্যাপক অর্থবোধক ও বিস্তৃত এবং তা নৈতিক দিকসহ অাধ্যাত্নিক ও বস্তুগত দিকগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে যা ইসলামি দৃষ্টিকোন থেকে চমকপ্রদ ইঙ্গিত বলে আমি মনে করি।

এ কারনেই একে পশ্চিমা উন্নয়ন মডেলের বৈশিষ্ট্য থেকে সহজেই পৃথক করা যায়। পুঁজিবাদী সমাজ শুধু মুনাফাকামিতা ও বস্তুগত চাহিদা পুরনকেই টেকসই উন্নয়নের মুল লক্ষ্য নির্ধারণ করে, কিন্তুু ইসলাম গঠনমুলক উৎপাদনের পাশাপাশি মানবীয় মুল্যবোধ রক্ষা করাকেও টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান টার্গেট ও উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

লেখক: তরুণ কলামিস্ট,মানারাত আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ