আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রায় সাড়ে ১২ লাখ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার।
তিনি জানান, করোনা মহামারিতে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য তিনবার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে এবং মামলার কারণে লাইসেন্স বিতরণে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়েছে।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়।
দীর্ঘসূত্রিতার কবলে পড়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রম। ফলে লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারীদের নানান দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির বৈঠকে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাপানো ও বিতরণ কার্যক্রম দ্রুত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ওই সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, এনামুল হক, মো. আবু জাহির, রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, মো. ছলিম উদ্দীন তরফদার ও সেখ সালাহউদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমিটি সূত্র জানা গেছে, বৈঠকে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকালে কমিটির সদস্যরা জানান, গত মার্চের মধ্যে ১২ লাখ ৪৫ হাজার স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরআগে ২০২১ সালের ২৯ আগস্ট স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাপানোর জন্য চুক্তি করে বিআরটিএ।
চুক্তি অনুযায়ী, ওই বছরের অক্টোবর থেকেই কার্ড ইস্যু করার কথা ছিলো কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। এদিকে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে আবেদনকারীরা নানান হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এদিকে বৈঠকে রাজধানীর বিআরটি প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন ও আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে মানুষের জীবন নিরাপত্তা নিà