বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
এবারের হজে ৬৪০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করেছে সৌদি আরব ‘বাজেটের পরিধির চেয়ে নিত্য পণ্যের দাম কমার সংবাদ চায় জনগণ’  সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা ‘ভারতে ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা সবার জন্য সমান হওয়া উচিত’ ‘যোগ্য দায়িত্বশীল হতে প্রয়োজন আদর্শিক ও দক্ষতার উন্নয়ন’ আল আকসার ঐতিহাসিক নিদর্শন সরানোর অপচেষ্টা ইসরাইলের, হামাসের সতর্কবার্তা আর্থিক খাতে রাজনীতি নয়, সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের শাসনে ইসলামের নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দেশের সব ধরণের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের খবর পত্রিকার পাতায় দেখা যায়। এমনকি কওমি মাদরাসাগুলোতেও নির্যাতনের খবর দিন দিন বেড়েই চলছে। হরহামেশাই শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। যার কারণে সাধারণ মানুষের মনে কওমি মাদরাসা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ বিষয়ে আলাপ করেছেন আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক।


দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় চাহিদা মেটাতে বেসরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে কওমি মাদরাসার সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। যা নিয়ন্ত্রণ করে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশসহ আরো ৭ টি শিক্ষা বোর্ড।

কওমি মাদরাসাভিত্তিক এই শিক্ষা বোর্ডগুলো শিক্ষা কার্যক্রম ছাড়াও নানা সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন মাদরাসাগুলোকে সতর্ক করেছে বিভিন্ন ইস্যুতে। কিন্তু শিশু নির্যাতন নিয়ে এখন পর্যন্ত নীরব ভূমিকায় শিক্ষা বোর্ডগুলো।

মাদরাসাগুলোতে শিশু নির্যাতন বন্ধে শিক্ষা বোর্ডগুলোর কি কিছুই করার নেই? এমন প্রশ্ন ছিল শিক্ষা বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্তা ব্যক্তির কাছে।

সর্বোচ্চসংখ্যক মাদ্রাসার নেতৃত্বদানকারী শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেছেন, এই বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শিশুরা শিক্ষকদের কাছে সন্তানের মত। তাদেরকে শাসন করার ভিন্ন পদ্ধতি আছে। কোমলমতি শিশুদের শাসন সেভাবে করা যায় না, যেভাবে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে শাসন করা যায়।

আমাদের বোর্ডে যখন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কোর্স হয়, তখন আমরা শিক্ষকদেরকে এ বিষয়ে তারবিয়ত দিয়ে থাকি। কিভাবে শিশুদের সন্তানের চোখে দেখে শিক্ষা দিতে হয় সেটা আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করি। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বেফাকের মিটিংয়ে এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বলে আসছি। যেহেতু কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ইতিমধ্যে সংঘটিত হয়েছে, তাই আমরা আমাদের তৎপরতা আরো বাড়াবো। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জোর দিবো।

এদিকে বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী বলেছেন, ইসলাম কোনভাবেই শিশু নির্যাতন সমর্থন করে না। সুতরাং এই ধরনের অমানবিক নির্যাতন কখনোই প্রশ্রয় দেয়া যায় না। যেকোনো মূল্যে এ ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা বন্ধ করা দরকার। শিক্ষকদের আরো আন্তরিক হওয়া উচিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ