সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

তাস খেলার বিষয়ে দেওবন্দের ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: প্রচার আছে, ৫২ কার্ডের ৫৩ রকম খেলা। যেটাকে বাংলাতে বলে তাস খেলা। এর আবার অনেক ধরনের নাম আছে। যেমন: ইটালিয়ান, কলব্রিজ, ডাক, পার্টনারশিপ, ২৯, মঙ্গুশ ইত্যাদি। সমাজের বেকার যুবকরা সাধারণত এসব খেলা বেশি খেলে থাকে। এটাকে জুয়া খেলাও বলে। কেননা কেউ কেউ এসব খেলার মাঝে বাজী ধরেন। হেরে গেলে টাকার লেনদেন করেন। জিতলে পকেটে টাকা ভরেন।

সমাজে কত ধরনের বিশৃঙ্খলার কথা শোনা যায় এসব খেলাকে কেন্দ্র করে। অনেক মানুষের নি:স্ব হওয়ার গল্পও আছে এ তাস খেলার পেছেনে।

প্রশ্ন হলো, এ ধরনের তাস খেলা কি জায়েজ? কিংবা এসব খেলে টাকা কামানো বা খরচ করা? এমন একটি প্রশ্ন করা হয়েছে দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে।

প্রশ্নকারী ব্যক্তি বলেন, ‘আমি পাকিস্তান থেকে বলছি। তাস খেলা কি জায়েজ? যদি আমরা তাস খেলে বাজি না ধরি তাহলেও? কেননা এখন কম্পিউটারেও তাস খেলা যায়।’

প্রশ্নের জবাবে দেওবন্দ থেকে বলা হয়, ‘যদি তাস খেলা জুয়ার মতো টাকার লেনদেন করে খেলা হয় তাহলে তা হারাম হওয়ার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি বাজি না ধরেও খেলা হয় তবু হারাম। কেননা এটা অনর্থক খেলাধুলার অন্তর্ভূক্ত। আর মুসলমানদের জন্য অনর্থক খেলাধুলায় সময় ব্যয় করা হারাম ও নাজায়েজ।

দেওবন্দের ফতোয়ার লিঙ্ক:

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ