আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পুলিশের মামলায় অধস্তন আদালতে চারবার জামিনের আবেদন না- মঞ্জুরের পর হাইকোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
মঙ্গলবার বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ দুজনকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে কেন তাদের স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দেন হাইকোর্ট।
সম্প্রতি নয়া পল্টনের ওই সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় প্রায় এক মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন ফখরুল ও আব্বাস।
আদেশের পর তাদের আইনজীবীরা বলেন, নতুন কোনো মামলা না থাকলে শিগগির দুজন কারামুক্ত হবেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, জামিন স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে যাবেন তারা।
গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে মকবুল নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় ফখরুল ও আব্বাসসহ দলটির চারশজনের বেশি নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। ৮ ডিসেম্বর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ।
পরে নয়াপল্টনের সংঘর্ষের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন ৯ ডিসেম্বর আদালত তাদের জামিন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ফের জামিনের আবেদন করলে গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার একটি আদালত জামিন না- মঞ্জুরের আদেশ দেন। এরপর ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুজনের জামিনের আবেদন না- মঞ্জুরের আদেশ দেন। সবশেষ ২১ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে দুজনের জামিনের আবেদন নাকচ হয়।
গত সোমবার হাইকোর্টে তাদের পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। শুনানিকালে অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ বিএনপিপন্থী অর্ধশতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
শুনানিতে অ্যাডভোকেট à