শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ।। ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনই ছিল সক্রিয়: পীর সাহেব চরমোনাই মসজিদে নববীর কুরআন শিক্ষক শায়খ কারিম হাসুনার ইন্তেকাল আয়া সোফিয়ায় পুনরায় নামাজ শুরুর ছয় বছর পূর্তিতে এরদোগানের বার্তা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মারুফ, সেক্রেটারি শরীয়াতুল্লাহ সাভারে চাঁদা দাবির জেরে পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চার সমুদ্রবন্দরে দারুল উলুম দেওবন্দে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলায় কঠোরতা, নতুন নির্দেশিকা জারি মিরপুরের একটি মসজিদে নেওয়া হবে মুয়াজ্জিন কাম ছানী ইমাম ঢাকায় আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম, জেনে নিন ৪ দিনের কর্মসূচি সিলেটে জেলা ও মহানগর নেতাদের সঙ্গে আমিরে মজলিসের মতবিনিময়

৭০ বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ হলেন আয়েশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জীবনের শুরুর দিকে কোরআন হেফজ করতে পারেননি। এ নিয়ে আক্ষেপের শেষ ছিল না ফিলিস্তিনি নারী আয়েশা বেগমের। তাই ৬৫ বছর বয়সে যখন সুযোগ হলো তখনই তিনি নেমে পড়েন কোরআন আত্মস্থ করায়। অবশেষে পাঁচ বছরের চেষ্টায় ৭০ বছর বয়সে তিনি কোরআনের হাফেজ হতে সক্ষম হয়েছেন। খবর আলজাজিরা।

খবরে বলা হয়, কোরআনকে হৃদয়ে ধারণ করতে না পারার শূন্যতা আয়েশা তার জীবনে খুব তীব্রভাবে অনুভব করছেন। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের জীবন সাধারণ আর যে কোনো দেশের মানুষের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সুযোগ হয়নি হাফেজ হওয়ার। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও তার সেই স্পৃহায় কোনো ভাটা পড়েনি। বরং কোরআন হেফজের আগ্রহ আরও প্রবল হয়ে ওঠে। সে কারণে ৬৫ বছর বয়সে এসে তিনি ঠিক করেন, আর দেরি নয়, এবার যেভাবেই হোক পবিত্র কোরআন মুখস্থ করবেন তিনি।

মহান আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসা করে শুরু করেন হিফজ করা। তবে একজন মানুষ শিশুবেলায় যতটা সহজে হিফজ করতে পারে, বৃদ্ধ বয়সে সেটা অনেক গুণ কঠিন হয়ে যায়। তারপরও চলতে থাকে আয়েশা বেগমের পথ চলা। তবে মাসের পর মাস এমনকি বছর পেরিয়ে গেলেও কোরআন হিফজ শেষ না হওয়ায় মাঝে মধ্যেই হতাশা ঘিরে ধরে তাকে। তবে সে সময় পাশে এসে দাঁড়ান স্বামী। তিনি উৎসাহ দিয়ে বলেন, হাফেজ হতে হলে তো দমে যাওয়া যাবে না।

তার উৎসাহ ও সাহসে আবার শুরু করেন। এভাবে দীর্ঘ পাঁচ বছর শেষে এক সময় সফল হন আয়েশা। বয়স আর হতাশাকে জয় করে শেষ করেন কোরআন হেফজর কাজ। ৭০ বছর বয়সে এসে জীবনের অতৃপ্তি মিটেছে তার।

তবে তিনি চান, তার মতো আর কেউ যেন এমন আফসোস না করে। প্রত্যেকেই যেন জীবনের শুরুতেই কোরআন মজিদ হৃদয়ে ধারণ করে নেয়। আর সে লক্ষ্যে তিনি নাতিদের ছোট থেকেই কোরআন শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ