সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

যেভাবে ঈদ উদযাপন করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: শিশুদের জন্য একটু আলাদা তাগিদ অনুভব করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি রুহুল আমিন। ঈদের দিন আগত শিশু-কিশোরদের ঈদি আর চকলেট দিয়ে শুভেচ্ছা-বিনিময় করেন তিনি। বহু বছর ধরে মুফতি রুহুল আমিনের ঈদ উদযাপনের বড় অংশ জুড়ে থাকে শিশু-কিশোররা। ২০২২ সালের ৩১ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন মুফতি রুহুল আমিন। খতিব হিসেবে জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন তিনি। ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি সেরে অন্তত ৩০ মিনিট শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রুহুল আমিন।

খতিব মুফতি রুহুল আমিন বলেন, ঈদ তো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। কষ্টকর ইবাদতের পর আনন্দময় দিন। পুরো এক মাস আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ মেনে মুসলমান নারী-পুরুষ প্রিয় জিনিস থেকে দূরে থেকে, কষ্টকর ইবাদত শেষে ঈদ আসে। হাদিসে আছে— প্রত্যেক জাতির খুশির দিন থাকে, মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের হচ্ছে ঈদ। ঈদের দিন মিষ্টিমুখ করে ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা দেওয়া উত্তম। সেটা সেমাই হতে পারে, খেজুর হতে পারে, মিষ্টি জাতীয় কিছু হতে পারে। এমনকি ঈদগাহে যাওয়ার সময় ফিতরা দেওয়ার উত্তম। ওই সময় গরিব, দুখী মানুষও তাহলে ঈদের খুশিতে শরিক হওয়ার সুযোগ পান।

শিশুদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের প্রসঙ্গে খতিব মুফতি রুহুল আমিন বলেন, বাচ্চাদের ভালো লাগে, তাদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করাই তো আসল। পরিবারের সঙ্গে, শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা উত্তম। ঈদের খুশি হক্বদার তো শিশুরাই।

গহরডাঙ্গা মাদরাসার শিক্ষক মুফতি মো. তাসনিম জানান, ঈদের নামাজ আদায় করে ঈদগাহে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদ-শুভেচ্ছা বিনিময় ও কোলাকুলি সেরে মুফতি রুহুল আমিন বাসায় যান। বাসায় ফিরতে না ফিরতেই অপেক্ষারত স্বজন, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সঙ্গে তিনি সৌজন্য বিনিময় করেন। এরপর নিজের পরিচালনাধীন গোপালগঞ্জের গহরডাঙ্গা মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে ফোনে কুশল বিনিময় করেন মুফতি রুহুল আমিন। স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক নেতাদের সঙ্গেও ফোনে শুভেচ্ছা আদান-প্রদান করেন খতিব। হুজুর সাধারণত প্রায় প্রতিদিনই দান-খয়রাত করে থাকেন। ঈদের সময় সেটা আরও বেড়ে যায়। শিশু-কিশোরদের যেমন ঈদের বকশিশ প্রদান করেন, তেমনই তাদের জন্য আগেই কিনে রাখেন চকলেট। তিনি ঈদের দিন সব শিশু-কিশোরদের তা বিতরণ করেন। যারা হুজুরের অধীনে কাজ করেন, তাদেরও ঈদের দিন ঈদি দেন খতিব সাহেব হুজুর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ঈদের দিন ফজরের নামাজের পর ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন মুফতি রুহুল আমিন। এরপর ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। নামাজ আদায় করে শুভেচ্ছা পর্ব সেরে বাসায় ফেরেন। মুফতি রুহুল আমিনের ঈদের দিনের আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে তার ছেলে-মেয়ে ও নাতি-নাতনিরা। আত্মীয়স্বজনের শিশু সন্তানেরা আসলে তাদেরকে ঈদি দেন তিনি। শিশুদের হাতে-হাতে চকলেট বিতরণ করেন খতিব।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ