বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড় ভারতের পুশইন অপচেষ্টা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি: খেলাফত মজলিস বাজেটে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ‘সুখবর’ বিশ্বকাপ উন্মাদনা: আবেগের উল্লাসে আদর্শের বিসর্জন

স্বপ্নেই চিনেছিলেন সন্তানের কবর, ডিএনএ মিলল সেই গাছের নিচেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

২০২৪ সালের জুলাইয়ে যখন উত্তাল ছিল রাজধানী,পুলিশের গুলিতে শহীদ হন তার একমাত্র সন্তান সোহেল। ঘটনার পরপরই পাওয়া যায়নি মরদেহ।

অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন করা হয় তাকে রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। কিন্তু সেই খবর জানা ছিল না মায়ের।

মায়ের কাছে ছিল না কোনো কবরের ঠিকানা, ছিল না ফরেনসিক রিপোর্ট কিংবা প্রশাসনিক কোনো প্রমাণ। বুকভরা শূন্যতা আর সন্তানের শেষ চিহ্ন খোঁজার আকুতি নিয়েই তিনি নিয়মিত যেতেন রায়ের বাজারে।

ওই মা বলতেন, স্বপ্নে তিনি দেখেন—একটি গাছের নিচে তার সন্তানের কবর। বাস্তবেও রায়েরবাজারে একটি গাছের নিচে থাকা একটি অচিহ্নিত কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়তেন তিনি। শুধু বিশ্বাস ছিল—এখানেই শুয়ে আছে তার সন্তান।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সেই বিশ্বাসই বাস্তব হয়ে ধরা দেয়। অভ্যুত্থানের সময় রায়েরবাজারে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা ১১৪টি মরদেহ থেকে সিআইডি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে।

পরিবারের দেওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে শনাক্ত করা হয় শহীদ সোহেলের কবর। আশ্চর্যজনকভাবে, যে গাছের নিচে দাঁড়িয়ে মা নিয়মিত কাঁদতেন, সেখানেই মিলেছে তার সন্তানের মরদেহ।

সিআইডির ফরেনসিক তথ্যের সঙ্গে মায়ের দেওয়া বর্ণনা হুবহু মিলে যায়। সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো.সিবকাতুল্লাহ প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, ওই মা নিয়মিত সিআইডিতে এসে সন্তানের কবরের বর্ণনা দিতেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য—সন্তানকে হারানো এক মায়ের অনুভূতিই শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হলো।

একটি মা, একটি বিশ্বাস—আর রাষ্ট্রীয় ফরেনসিক বিজ্ঞানের মাধ্যমে মিলল নিখোঁজ সন্তানের শেষ ঠিকানা।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ