বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা রাজশাহীতে ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ ‘যুক্তরাজ্যের মুসলিমদের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বে গর্বের বিষয়’ অপরাধের বিচার হোক সমান চোখে, ধর্মীয় পরিচয়ে নয় সুযোগ দিয়ে দেখুন, মাদরাসার ছাত্ররাই বদলে দিতে পারে চিত্র ‘সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রাম জোরদার করতে হবে’

সাধারণ পরিষদের সভাপতি হওয়ার পর জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের বক্তব্য


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বক্তব্য দেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তার এই বক্তব্যে তিনি বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে ছয়টি কর্মস্তম্ভভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আস্থা ও সমর্থনের কারণেই তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।

সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, জাতিসংঘ তার নবম দশকে প্রবেশ করতে যাচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন সংস্থাটির প্রতি বৈশ্বিক আস্থা বিভিন্ন দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকট অব্যাহত রয়েছে, উন্নয়ন অর্জনগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও পশ্চাদপসরণ ।

তিনি বলেন, বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ এবং জাতিসংঘের আর্থিক সংকট সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নিজের অগ্রাধিকার তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অভিজ্ঞতা ও অবদান থেকে তিনি অনুপ্রেরণা নেবেন। সাইপ্রাস থেকে সুদান পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি বলেন, সংঘাত প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা জোরদার এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি সমন্বিত শান্তিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে তিনি কাজ করবেন। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের বিষয়ে খলিলুর রহামান বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি ও অর্জনের মধ্যে এখনও বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। ২০২৭ সালের এসডিজি সম্মেলনকে সামনে রেখে পিছিয়ে থাকা লক্ষ্যগুলো অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এ ছাড়া এসডিজি অর্থায়নের ঘাটতি পূরণ, ঋণের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার এবং নারী ও কন্যাশিশুদের পূর্ণ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ইউএনজিএর নবনির্বাচিত সভাপতি।

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গৃহীত দোহা কর্মসূচিসহ উন্নয়ন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি বিশেষ নজর দেবেন।

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ