মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ।। ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৮


কুড়িগ্রামে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি বৃদ্ধিতে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অসংখ্য কাঁচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় বন্যাকবলিত পরিবারগুলো গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে উঁচু স্থান ও ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিচ্ছে।

এদিকে জেলায় দুধকুমার নদের পানি কমতে শুরু করলেও মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, নদের পানি এখনো বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি স্থিতিশীল রয়েছে এবং ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হঠাৎ করে পানি বাড়তে থাকায় নদীতীরবর্তী এলাকার শত শত পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বন্যাকবলিতদের মাঝে বিরাজ করছে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের নামা কাচিচর এলাকার গৃহবধূ শাহিদা বেগম বলেন, ‘হঠাৎ করেই বন্যার পানি এসে বাড়িতে ঢুকে পড়েছে। এখনও রান্না করতে পারিনি, ঘরের জিনিসপত্র ওয়াপদা বাঁধে তুলতে ব্যস্ত আছি। ঘরের ভেতরে পানি থাকায় ছোট ছোট বাচ্চারা খাটের ওপর বসে আছে। এখনও তাদের নিরাপদ জায়গায় নিতে পারি নাই।’

একই এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বাড়ির চারপাশে ও ঘরের ভেতরেও পানি উঠে গেছে। গরু-ছাগল নিয়ে ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয় নিতে হচ্ছে। ছোট ছোট সন্তানদের নিয়ে খুবই বিপদে আছি। আজকের মধ্যেই সবকিছু নিরাপদ জায়গায় নিতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখনও প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, সকাল থেকে নদনদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী আরও তিন দিন নদীর পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ