শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘জুলাইয়ের অর্জনকে ব্যর্থ করতে নানা ষড়যন্ত্র অব্যাহত’ ইউরোপ জমিয়ত নেতা মাওলানা সৈয়দ আব্দুল খালিকের ইন্তেকাল ‘কুরআন প্রজ্ঞা জাতীয় কুরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা’র ফাইনাল অনুষ্ঠিত সৌদির প্রতিনিধিদের সূরা আল ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শোনাল ইরান  হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৩৩ পৌনে ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আশিক টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনায় গুরুত্ব দিয়েই এবারের বাজেট : অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রামে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট মাদারীপুরে ডাম্পিং স্টেশনের জন্য জায়গা চূড়ান্ত, ব্যয় হবে ৬২ কোটি টাকা

দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনায় গুরুত্ব দিয়েই এবারের বাজেট : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়েই এবারের জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। যে অঞ্চলের যে সক্ষমতা রয়েছে, তা কাজে লাগানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম সফরে এসে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। কারণ এখানে সমুদ্রবন্দর রয়েছে। পাশাপাশি ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণেও চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনায় চট্টগ্রামকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কর্ণফুলী নদীর ওপারে প্রায় ৬০০ একর জমিতে একটি ফ্রি জোন প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে একাধিক বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে দেশের প্রধান লজিস্টিক্যাল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একইসঙ্গে চট্টগ্রামে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম অংশের উন্নয়ন কাজ শেষ হলে ট্রেনে যাতায়াতের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমে আসবে। এতে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক করিডর আরও শক্তিশালী হবে এবং দেশের বন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

তিনি আরও বলেন, মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করেও বড় ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক্যাল সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই বাজেটে বিভিন্ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দেশের অর্থনীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবও যুক্ত হয়েছে। প্রথমে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা হবে। এরপর সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগানো হবে। সরকারের তৃতীয় ও চতুর্থ বছর থেকে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে এবং বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাবে।

বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন ফান্ড ম্যানেজারের বিনিয়োগ দেশে আসছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ