মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীতে টিসিবির পণ্য নিতে এসে দেয়ালচাপায় প্রাণ গেল একজনের হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পেরিয়া ইউনিয়ন উলামা পরিষদের দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিত্যপণ্যের আগাম সংকট শনাক্ত করবে এআই: বাণিজ্যমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু দুরুদে ইব্রাহিম: অর্থ ও ফজিলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি: সিইসি

মহররম যে কারণে ‘আল্লাহর মাস’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
প্রতীকী ছবি

।। বিন ইয়ামিন ।।

হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত সম্মানিত চার মাসের একটি মহররম। হাদিসে বড় মর্যাদার কথা এসেছে এ মাসের। মহররমের ১০ তারিখকে বলা হয় আশুরা। এটি ইসলামের ইতিহাসে ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এর কারণে মহররম মাসের ফজিলত বেড়েছে বহুগুণে।

রমজানের পর হিজরি সনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মাস মহররম। এই মাসকে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ‘আল্লাহর মাস’ আখ্যা দিয়েছেন। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- “আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো, রমজানের পর সবচেয়ে উত্তম রোজা। আর ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ) “ (মুসলিম)

সব মাসই তো আল্লাহর,তাহলে মহররমকে বিশেষভাবে আল্লাহর মাস বলার কারণ কী?

এর জবাবে বলা হয়, এই মাসের বিশেষ ফজিলত বোঝাতেই মূলত একে আল্লাহর মাস হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। উল্লিখিত হাদিসে বলা হয়েছে, মহররম মাসের রোজা রমজানের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ। আল্লাহর মাস বলার এটিও একটি কারণ।

মহররম মাসের রোজার মধ্যে আশুরার রোজার ফজিলত আরও বেশি। আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে রমজান ও আশুরার দিন যে গুরুত্ব দিয়ে রোজা রাখতে দেখেছি, তা অন্য সময় দেখিনি।” (বুখারি)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যদি তুমি রমজানের পর রোজা রাখতে চাও, তবে মহররম মাসে রাখো। কারণ এটি আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন আছে, যে দিনে আল্লাহ তাআলা একটি জাতির তওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্য জাতির তওবাও কবুল করবেন।” (তিরমিজি)

বিনু/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ