বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ দলীয় জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন, নাম ব্যবহার না করার আহ্বান

ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত কে এই শীর্ষ হামাস নেতা ?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

মঙ্গলবার লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় দাহিয়া এলাকার একটি ভবনে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। ড্রোন থেকে পরপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এতে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের রাজনৈতিক শাখার উপ-প্রধান সালেহ আল আরুরি ও কাসাম ব্রিগেডসের দুই কমান্ডারসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়।

ইসরায়েলের ওই হামলায় আশেপাশের কয়েকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও কয়েকজন।

হামাস আনুষ্ঠানিকভাবেও সালেহ আল আরুরি’র নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে। সংগঠনটির প্রভাবশালী সদস্য ইজ্জাত আর রিশক বলেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের পরাজয়ের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হয়েছে।

আরুরি-কে কাপুরুষোচিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ফিলিস্তিন ও ফিলিস্তিনের বাইরে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করা যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।


কে এই সালেহ আল আরুরি?

সালেহ আল আরুরি (৫৭) ছিলেন ফিলিস্তিনের গাজাভিত্তিক প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাসের পলিটব্যুরোর উপপ্রধান। তিনি ছিলেন সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সামরিক শাখা আল-কাসেম ব্রিগেডসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

সালেহ আল আরুরির জন্ম ১৯৬৬ সালে, ফিলিস্তিনের রামাল্লাহ’র কাছাকাছি আরুরা গ্রামে। তিনি ইসলামি শরিয়া বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ১৯৮৭ সালে তিনি হামাসে যোগ দেন।

আরুরি ছিলেন একজন মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দি, যিনি ইহুদিবাদী ইসরায়েলের কারাগারে ১৫ বছর কাটিয়েছেন। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তিনি লেবাননে নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন। 

আরুরি ২০১১ সালে ইসরায়েলি সেনা গিলাত শালিতের মুক্তির বিনিময়ে বহু ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্ত করার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন।

সম্প্রতি আরুরি হামাসের অন্যতম মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। গত মাসে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে বলেছিলেন- হামাস গাজা যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগে জিম্মি বিনিময় চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করবে না। সূত্র: আল জাজিরা, প্রেসটিভি

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ