বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ দলীয় জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন, নাম ব্যবহার না করার আহ্বান

যুদ্ধের পর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী সৌদি আরব: রাষ্ট্রদূত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
প্রতীকী ছবি

গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এরই মধ্যে অবরুদ্ধ ওই উপত্যকায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ২৩ হাজার ২১০ জনে দাঁড়িয়েছে।এর মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী-শিশু। আহত হয়েছে আরও ৫৯ হাজার ১০০ জন।

ভয়াবহ এই ‘গণহত্যা’ চালানো সত্ত্বেও যুদ্ধের পর ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী সৌদি আরব। 

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিয়াদের এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন লন্ডনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স খালিদ বিন বন্দর।

তিনি বলেছেন, “গত বছরের শেষ দিকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সৌদি আরব। তবে ৭ অক্টোবর গাজা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো আল-আকসা তুফান অভিযান চালানোর পর সে প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়।”

প্রিন্স বন্দর বলেন, “গাজায় ‘ব্যাপক মাত্রায়’ হতাহতের ঘটনা সত্ত্বেও সৌদি আরব এখনও মনে করে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, “গাজা বর্তমানে একটি ‘মানবিক বিপর্যয়ের’ সম্মুখীন। কিন্তু আন্তর্জাতিক সমাজ যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।”

তিনি এও বলেন, ইসরায়েলের সঙ্গে যেকোনও চুক্তির শর্ত হবে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

মুসলমানদের দু’টি প্রধান ধর্মীয় স্থান মক্কা ও মদীনা সৌদি আরবে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিকে অনেকে আরব ও মুসলিম বিশ্বের নেতা মনে করে। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ভূমি জবরদখল করে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে এখন পর্যন্ত রিয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে তেল আবিবকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে সৌদি আরব ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে দিলে তা দখলদার রাষ্ট্রটির জন্য বিশাল অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। সূত্র: বিবিসি

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ