সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
লামুর নিঃশব্দ রাত: ইতিহাস, কবর আর এক বিদায়ের পদচিহ্ন চলে গেলেন বিশ্বখ্যাত ইসলামি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ উমর চাপরা আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্টে প্রশিক্ষক নিয়োগ, আবেদন আহ্বান সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গুলিস্তান টার্মিনালের বাসের ডিপো সরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সিলেট-৫ আসনে সাবেক এমপিকে সংসদে স্মরণ করলেন বর্তমান এমপি ১১ দলীয় জোটের সংবাদে ইসলামী আন্দোলনের লোগো ব্যবহার না করার আহ্বান ডা. জাহিদের ঘটনায় ক্ষুব্ধ ঢাকা, ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব জামিয়া গহরপুরের শিক্ষক মাওলানা কবির আহমদের ইন্তেকাল ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক: বিআরটিএ পলাশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

উত্তর প্রদেশে ঐতিহাসিক মসজিদের মালিকানা দাবি পুলিশ ও ওয়াকফ বোর্ডের


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাট জেলার খারখোদা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক জামে মসজিদ, যা স্থানীয়ভাবে ‘থানে ওয়ালি মসজিদ’ নামে পরিচিত, তার মালিকানা নিয়ে নতুন করে বিরোধ দেখা দিয়েছে। খারখোদা থানা চত্বরে অবস্থিত এই মসজিদটি নিয়ে একদিকে পুলিশ প্রশাসন জমি দখলের অভিযোগ তুলেছে, অন্যদিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এটি বৈধ ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি।

পুলিশের দাবি, সম্প্রতি রাজস্ব বিভাগের এক জরিপে দেখা গেছে যে মসজিদটি খারখোদা থানার নামে নিবন্ধিত জমির একটি অংশে নির্মাণ করা হয়েছে। মিরাট-বুলন্দশহর সড়কে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলের এই থানার খতিয়ান নম্বর ১২১৭-এর আওতাধীন প্রায় ৬ হাজার ৪৫০ বর্গমিটার জমি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ স্টেশনের মালিকানায় রয়েছে বলে রাজস্ব নথিতে উল্লেখ আছে।

জরিপের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন পুলিশ মসজিদের ইমাম আবদুল গাফফারকে সাত দিনের একটি নোটিশ প্রদান করে। নোটিশে মসজিদের বৈধ মালিকানার দলিল উপস্থাপন এবং অভিযোগকৃত অননুমোদিত স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৪ জুন রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

খারখোদা সার্কেল কর্মকর্তা প্রমোদ কুমার সিং জানান, রাজস্ব বিভাগের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে জমিটিকে থানার অংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) অভিজিৎ কুমার বলেন, মসজিদটি বহু বছরের পুরোনো হলেও সাম্প্রতিক ভূমি সীমানা নির্ধারণের পর বিষয়টি সামনে এসেছে।

তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ পুলিশের অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইমাম আবদুল গাফফারের দাবি, ১৯৮৫ সাল থেকেই জমিটি ওয়াকফ বোর্ডের নামে নথিভুক্ত রয়েছে এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মসজিদটি একটি বৈধ ওয়াকফ সম্পত্তি।

পুলিশ প্রশাসন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ উভয় পক্ষের বিপরীতমুখী দাবির কারণে বিষয়টি এখন তদন্ত ও নথিপত্র যাচাইয়ের ওপর নির্ভর করছে। সাত দিনের নোটিশের মেয়াদ চলমান থাকায় এলাকাটির পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সূত্র: মুসলিম মিরর

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ