বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার

শিশুকে সালাম শেখাতে সালাম দিন


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

 

মুফতি আরিফুল ইসলাম

আসসালামু আলাইকুম। শান্তির বার্তা। অভিভাদনের সর্বত্তোম পন্থা হল সালাম। দেখা হলেই অপর মুসলমানকে সালাম দেয়া ঈমানী দায়িত্ব। হিংসা বিদ্ধেস দূর হয়। ভেদাভেদ দূর হয়ে পরস্পরে প্রীতির বন্ধন তৈরী হয়। সালামে রয়েছে অপরের জন্য রহমত ও কল্যানের প্রার্থনা। সালামে রয়েছে জিকিরের অফুরন্ত সওয়াব।  

দু:খ ও পরিতাপের কথা হলো সালামের পরিবেশ তৈরী হলেই দেখা যায়, বড়রা ছোটদের সালামের  অপেক্ষা থাকে। বিশেষ করে শিশুদের সালাম দেয়ার প্রয়োজনই মনে করা হয় না।

প্রিয় নবীজি সা.-এর অভ্যাস

প্রিয় নবীজি সা. শিশুদের আগে আগে সালাম দিতেন। এতে শিশুদের মধ্যে সালাম দেয়ার অভ্যাস তৈরী হত। এছাড়া ছোটদেরকে সালাম দেওয়া কোমল হৃদয় ও স্নেহশীলতার পরিচয়।

হাদীস : হযরত আনাস ইবনে মালেক রা.  থেকে বর্ণিত। একবার তিনি একদল শিশুর পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করাকালে তাদের সালাম দিয়ে বললেন, নবী সা. এমন করতেন। ( এভাবে তিনি বাচ্চাদের সালাম দিতেন)  বোখারী শরীফ-৬২৪৭

অবশ্য শিশু সালামের উত্তর না দিলে গোনাহগার হবে না। কারণ, সে শরীয়তের ভারপ্রাপ্ত নয়। তবে শিশু বড়কে সালাম দিলে উত্তর দেওয়া জরুরী।

এমআই/

 

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ