রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কক্সবাজারে ১৯৩৮ আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক আটক পুকুরে ডুবে একই পরিবারের প্রাণ গেল ৩ জনের  মুফতী জুবাইর আহমাদের ‘ইসলামের বিশুদ্ধ আকীদা ও বিদআতের অসারতা’ বাজারে ‘কাফের-মুরতাদ ফতোয়া অত্যন্ত স্পর্শকাতর, সতর্কতা কাম্য’ নোয়াখালীর বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মুশাররফ হোসাইনের ইন্তেকাল বদরের মহাযুদ্ধ—ঈমানের প্রথম বিজয় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক সমাধানের বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ ইশতেহার বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য খাতের শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার

আসামে ‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত’ ৪৫০ মুসলমান পরিবার উচ্ছেদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি সংগৃহীত

ভারতের পশ্চিম আসামের গোয়ালপাড়া জেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে ৪৫০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এসব পরিবারকে ‘বেআইনি দখলদার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) পত্রিকা অর্গানাইজার এ পরিবারগুলোকে ‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মুসলমান পরিবার’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার তাদের উচ্ছেদ করা হয় বলে হিন্দুস্থান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে।

উচ্ছেদ হওয়া ৪৫০ পরিবারের সদস্যসংখ্যা দুই হাজার। উচ্ছেদের কারণে ৫৫-৬০ হেক্টর বনাঞ্চল খালি করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সরকারি কর্মকর্তারা।

গোয়ালপাড়া জেলার লখিপুর রেঞ্জের বন্দরমাথা রিজার্ভ ফরেস্টের ১১৮ হেক্টরজুড়ে অভিযান চালিয়ে ৫৫-৬০ হেক্টর অঞ্চল থেকে দখলদারদের সরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানান গোয়ালপাড়ার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তেজস মারিস্বামী।

তেজস মারিস্বামী বলেন, গোয়ালপাড়ার সব সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে দখলমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। ওই নির্দেশ অনুসারে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। সারা দেশের মধ্যে গোয়ালপাড়ায় মানুষ ও হাতির সংঘাত সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, এলাকাটি পরিষ্কার করার পর বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এলাকাটিকে হাতির বসবাসের উপযোগী করে তোলা হবে।

এই বন কর্মকর্তা বলেন, ‘গত সপ্তাহে আমরা পতাকা মিছিল করেছি। আমাদের সীমানা সম্পর্কে লোকজনকে অবহিত করেছি। তাঁদের সংরক্ষিত এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধও করেছি।’

আরএসএসের পত্রিকা অর্গানাইজার এ বলা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে, তারা সবাই বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত। পত্রিকাটি বলছে, স্থানীয় মানুষ জানিয়েছেন, ইসলামপন্থীরা ২০০১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে কংগ্রেস সরকারের আমলে সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল করেছিলেন।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ