বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা রাজশাহীতে ট্রাক-মাহিন্দ্রা মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্যাংক কর্মকর্তাসহ নিহত ২ ‘যুক্তরাজ্যের মুসলিমদের সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত বিশ্বে গর্বের বিষয়’ অপরাধের বিচার হোক সমান চোখে, ধর্মীয় পরিচয়ে নয় সুযোগ দিয়ে দেখুন, মাদরাসার ছাত্ররাই বদলে দিতে পারে চিত্র ‘সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র বিনির্মাণের সংগ্রাম জোরদার করতে হবে’

মসজিদে হারামে ‘সেফ হার্ট জোন’ চালু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারাম বা গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকায় ওমরা ও হজযাত্রীদের তাৎক্ষণিক হৃদরোগ সেবা নিশ্চিত করতে ‘সেফ হার্ট জোন’ নামে একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করেছে সৌদি আরব। মক্কা হেলথ ক্লাস্টারের উদ্যোগে এবং কিং আবদুল্লাহ মেডিক্যাল সিটির তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। খবর আরব নিউজের।

রমজান ও হজের সময় কাবা প্রাঙ্গণে লাখো মুসল্লির সমাগম হয়। এই বিপুল জনসমাগমের মধ্যে কেউ হঠাৎ হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুততম সময়ে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা প্রদান করাই এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রথম কয়েক মিনিট বা ‘গোল্ডেন আওয়ার’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পটির আওতায় মসজিদুল হারামের ভেতরেই স্থাপন করা হয়েছে ১০টি বিশেষায়িত কার্ডিয়াক ইনটেনসিভ কেয়ার বেড। হৃদরোগ মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন ৩০ জন উচ্চপ্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর একটি বিশেষায়িত দল।

হারাম হাসপাতালের মাধ্যমে একটি ‘মোবাইল ক্যাথেটারাইজেশন ল্যাব’ ব্যবহার করে ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীর হার্টে ব্লকেজ শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক রিং বসানোর কাজও সম্পন্ন করা যাবে। এছাড়া গুরুতর রোগীদের জন্য উন্নত যান্ত্রিক সহায়তা হিসেবে ‘ইসিএমও’ প্রযুক্তি এবং জরুরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের পর্যাপ্ত সরবরাহ রাখা হয়েছে।

সৌদি আরবের জাতীয় পরিকল্পনা ‘ভিশন ২০৩০’-এর স্বাস্থ্যখাত রূপান্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই অত্যাধুনিক সেবা চালু করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুতর রোগীদের প্রয়োজনে দ্রুত উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের জন্য নির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল প্রটোকল বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাও সক্রিয় থাকবে।

আইএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ