আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালন করতে আগের তুলনায় আরও বেশি ব্যয় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে তারা স্পষ্ট করেছেন, এ ব্যয় বৃদ্ধি কোনো একটি দেশের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে নয়; বরং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়াই এর মূল কারণ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সৌদি আরবে বিভিন্ন সেবা খাতের মূল্যবৃদ্ধি, করের হার বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের ফলে হজের সামগ্রিক ব্যয় বাড়ছে। এর প্রভাব বিশ্বের প্রায় সব দেশের হজযাত্রীদের ওপর পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কর্মকর্তাদের মতে, এর আগেও ২০১৮ ও ২০২০ সালে একই ধরনের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে হজের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল। এবারও সেই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।
সম্ভাব্য ব্যয় বৃদ্ধি কমিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বিকল্প উপায় খুঁজছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি পরিকল্পনা হলো—হজযাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে খালি ফিরে আসা বিমানগুলোকে পর্যটক পরিবহনে ব্যবহার করা। এতে বিমান পরিচালন ব্যয় কমবে এবং সেই সুবিধার একটি অংশ হজযাত্রীদের খরচ কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সরকার, এয়ারলাইনস এবং সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে দক্ষ পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হজযাত্রীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন
আইও/