শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

‌‘নামাজ পড়ে এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে (শিশু হাসপাতাল) লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ২টা ২৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

আগুন লাগার পর রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালটির বি ব্লকে আগুন লাগলেও তাড়াহুড়ো করে অন্যান্য ব্লক থেকেও রোগী ও তাদের স্বজনরা হাসপাতালের নিচে নেমে আসেন।

স্বজনরা জানায়, শুরুতে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর যখন জানতে পারেন আগুন লেগেছে, তখন সবাই তাড়াহুড়ো করে নিচে নামতে শুরু করেন।

এক রোগীর স্বজন রফিকুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার সময় তিনি জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। হঠাৎ আগুন লাগার খবরে দৌড়ে হাসপাতালে এসে দেখেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে এবং চতুর্দিকে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। পরে দ্রুতই তিনি তার রোগীকে নিয়ে হাসপাতালের নিচে নেমে আসেন।

তিনি বলেন, শুনেছি এসি থেকে আগুন লেগেছে। এরপর সঙ্গে থাকা বেডের কাপড়ে আগুন লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতালে যদি হুটহাট এভাবে আগুন লেগে যায়, তাহলে তো রোগীদের জন্য ভয়ের বিষয়। এই গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো অবশ্যই সবসময় নিরাপদ রাখা উচিত।

হাসপাতালের নিচে নেমে আসা হামিদুর রহমান জানান, কার্ডিয়াক বিভাগে তার বাচ্চা ভর্তি ছিল। জুমার নামাজ পড়ে এসে দেখেন ভবনটিতে আগুন। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন তার বাচ্চাসহ ভর্তি থাকা সব বাচ্চাকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কার্ডিয়াক বিভাগে কর্তব্যরত এক নার্স বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া প্রত্যেক বেড়েই রোগী ছিল। যখনই দুর্ঘটনা ঘটে আইসিইউতে মোট ১৭ জন রোগী ছিল। আগুন লাগার পর তাদের প্রত্যেককেই বিভিন্ন ওয়ার্ড ও অন্যান্য আইসিইউগুলোতে স্থানান্তর করে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আগুনে পুরো বেড, দেয়াল, এসি, ফ্রিজসহ রোগীদের অক্সিজেন সামগ্রী পুড়ে গেছে। যেগুলোর কোনটাই আর ব্যবহার উপযোগী নেই। যেগুলো ছিল, প্রায় সবগুলোই অন্তত দাহ্য পদার্থ। আগুন যদি ছড়িয়ে পড়ত, তাহলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বেশি ছিল।

হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগুনে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সবাই সুস্থ আছে। রোগীদের আমরা যথাযথভাবে নামিয়ে এনেছি।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ